হাটহাজারীর জনসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: ‘ষড়যন্ত্র করে উন্নয়নের অগ্রযাত্রা থামানো যাবে না’
হাটহাজারী প্রতিনিধি:
ফটিকছড়ির বাবুনগর মাদ্রাসায় সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং হাটহাজারী মাদ্রাসায় আল্লামা শাহ আহমদ শফীর কবর জিয়ারত শেষে হাটহাজারী সরকারি কলেজ মাঠের বিশাল জনসভায় যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জনসভায় তিনি দেশের উন্নয়ন, কৃষক ও সাধারণ মানুষের কল্যাণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।
রোববার(৯ আগস্ট) সকালে চট্টগ্রাম সফরের শুরুতে ফটিকছড়ির বাবুনগর মাদ্রাসায় গিয়ে হেফাজতে ইসলামের আমির ও প্রবীণ আলেম আল্লামা মহিবুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে সড়কপথে হাটহাজারীর দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় যান তিনি। সেখানে হেফাজতে ইসলামের সাবেক আমির ও হাটহাজারী মাদ্রাসার সাবেক পরিচালক আল্লামা শাহ আহমদ শফীর কবর জিয়ারত করেন।
এরপর প্রধানমন্ত্রী হাটহাজারী সরকারি কলেজ মাঠে আয়োজিত বিশাল জনসভায় যোগ দেন। ভূমি প্রতিমন্ত্রী ও হাটহাজারীর নির্বাচিত সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
জনসভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পরপরই সাধারণ মানুষের কল্যাণে ফ্যামিলি কার্ড চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি কৃষকদের উন্নয়ন এবং কৃষিখাতকে আরও শক্তিশালী করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি দল বিভিন্নভাবে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। তারা দেশের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বাধাগ্রস্ত করতে নানা অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, যারা এসব কর্মকাণ্ড করছে, তারা ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল। তারা অতীতেও বিভিন্ন সময়ে স্বৈরাচারী শক্তির সঙ্গে মিলে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করেছে। এখনো তারা একই ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে চায় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি বলেন, জনগণের কল্যাণ ও দেশের উন্নয়নই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। কৃষক, শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
দেশের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোনো ষড়যন্ত্র ও বিশৃঙ্খলার মাধ্যমে দেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রা থামানো যাবে না।





