ক্ষেতলালে ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে মারধর ও টাকা আত্মসাতের অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ
জাহিদুল ইসলাম (জাহিদ) স্টাফ রিপোর্টার।
জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার মামুদপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি আবির ইত্তেখারের বিরুদ্ধে মারধর ও টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী লিটন মোল্লা ও তার ভাইয়ের অভিযোগ বিভিন্ন পত্রপত্রিকা ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রচার হলে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
“মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ছাত্রদলের প্যাডে স্বাক্ষরিত এক প্রেস রিলিজে বিষয়টি জানানো হয়।”
এ ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ছাত্রসংগঠন ক্ষেতলাল উপজেলা ছাত্রদল আবির ইত্তেখারের কাছে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করেছে। নোটিশে আগামী তিন দিনের মধ্যে ক্ষেতলাল উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি কেএম হাসান ও সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলামের কাছে লিখিতভাবে এবং স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
ভুক্তভোগী লিটন মোল্লা বলেন, তিনি প্রবাসে থাকা অবস্থায় কুষ্টিয়ার এক নারীর সঙ্গে তার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ৯ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যার আগে আবির ইত্তেখার তাকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে ক্ষেতলালের বিভিন্ন স্থানে ঘোরান এবং হুমকি-ধমকি দেন। পরে ওই নারী, সাংবাদিক শাহিন মিলনসহ আরও কয়েকজন তাকে বিলের ঘাট এলাকায় নিয়ে গিয়ে মারধর করেন। এরপর ডাবলু কাজির বাড়িতে নিয়ে অস্ত্রের মুখে তাকে মারধর করে ৫ লাখ টাকা কাবিনে জোরপূর্বক বিয়ে করানো হয়। এ সময় তার কাছে থাকা ৩০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয় এবং আরও ১ লাখ টাকা না দিলে তার স্ত্রীকে নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন লিটন মোল্লা।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ছাত্রদল নেতা আবির ইত্তেখার বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা। ভুল বোঝাবুঝির কারণে লিটন মোল্লা এ ধরনের অভিযোগ করেছেন। তিনি নোটিশ পেয়েছেন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এর জবাব দেবেন বলে জানান।




