কালীগঞ্জে ১০ লাখ টাকার ড্রেন নির্মাণে ফাটল, ভেঙ্গে পড়ে এক দেয়াল
মারুফ হাসান (কালীগঞ্জ) গাজীপুর:
গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার বাহাদুরসাদী ইউনিয়নের বাশাইর বণিকপাড়া এলাকায় সরকারি অর্থায়নে নির্মাণাধীন একটি ড্রেনের দেয়ালে ফাটল ও ধসের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে উদ্বেগ। নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার আগেই ড্রেনের একটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। ধসে পড়া অংশ সাময়িকভাবে ধরে রাখতে দেয়ালের মাঝখানে কাঠের ঠেকা দেওয়ার ঘটনাও দেখা গেছে। স্থানীয়দের আশা ছিল, দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা ও বর্জ্য জমে থাকার দুর্ভোগ কমাতে নির্মিত এই ড্রেনটি তাদের স্বস্তি এনে দেবে। তবে নির্মাণাধীন অবস্থাতেই বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দেওয়ায় সেই প্রত্যাশার পাশাপাশি তৈরি হয়েছে শঙ্কা। সরেজমিনে দেখা যায়, বাশাইর বণিকপাড়ার ভেতর দিয়ে নির্মাণাধীন ড্রেনটির বিভিন্ন অংশে ফাটলের চিহ্ন রয়েছে। একটি অংশের দেয়াল ধসে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কাঠামোকে সাময়িকভাবে ধরে রাখতে দুই পাশের দেয়ালের মধ্যে কাঠের ঠেকা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া নির্মাণকাজে ব্যবহৃত রডের দূরত্ব ও কাঠামোর দৃঢ়তা নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন রয়েছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, ড্রেন নির্মাণে সিমেন্ট-বালুর মিশ্রণসহ অন্যান্য নির্মাণসামগ্রী যথাযথ মান ও নির্ধারিত অনুপাত অনুযায়ী ব্যবহার করা হয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করা প্রয়োজন। তবে কারিগরি পরীক্ষা ছাড়া এসব অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করা সম্ভব নয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এ বিষয়ে কালীগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আবুল কালাম আজাদ বলেন, বৃষ্টির মধ্যে ড্রেন নির্মাণের কাজ করায় প্রায় ১০ থেকে ১৫ ফুট অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সোমবার (১০ আগস্ট) তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং প্রকল্পের সভাপতিকে ক্ষতিগ্রস্ত অংশ সঠিকভাবে পুনর্নির্মাণের নির্দেশ দিয়েছেন। প্রকল্পের সভাপতি ও বাহাদুরসাদী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং ইউপি সদস্য শওকত আলী বলেন, অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে দুই-তিন হাত জায়গা ভেঙে পড়েছিল। পরে সেটি সংস্কার করা হয়েছে। তার দাবি, পিআইও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে কাজ ঠিক আছে বলে জানিয়েছেন।
প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বাশাইর বণিকপাড়ার ভেতর দিয়ে নির্মাণাধীন ড্রেনটি বাশাইর মূল সড়কের পাশের ড্রেনের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার কথা। গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর) কর্মসূচির আওতায় তিন দফায় প্রকল্পটির জন্য মোট ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ রয়েছে। এর মধ্যে প্রথম দফায় ৪ লাখ, দ্বিতীয় দফায় ৪ লাখ এবং পরবর্তী দফায় ২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সংসদ সদস্যের ঐচ্ছিক প্রকল্প হিসেবে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে প্রকল্পটির কাজ বাস্তবায়িত হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ. টি. এম. কামরুল ইসলাম বলেন, পিআইওকে সরেজমিনে প্রকল্পটি পরিদর্শন করে কাজের মান সঠিকভাবে যাচাই করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে যেন বিল পরিশোধ করা হয়, সে নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, শুধু ক্ষতিগ্রস্ত একটি অংশ পুনর্নির্মাণ করলেই প্রকল্পের সার্বিক মান নিশ্চিত হবে না। ড্রেনটির রডের ব্যবধান, নির্মাণসামগ্রীর মান, নকশা ও নির্ধারিত স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী কাজ হয়েছে কি না এসব বিষয় কারিগরি যাচাইয়ের মাধ্যমে নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
বণিকপাড়ার বাসিন্দাদের প্রত্যাশা, সরকারি অর্থে নির্মিত ড্রেনটি যেন টেকসই ও কার্যকর হয় এবং দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনে ভূমিকা রাখে।
কারণ, নির্মাণাধীন একটি সরকারি প্রকল্পের দেয়ালে ফাটল শুধু একটি স্থাপনার ক্ষতির বিষয় নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে জনগণের প্রত্যাশা, প্রকল্পের স্থায়িত্ব এবং সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহারের প্রশ্ন।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, ড্রেন নির্মাণে সিমেন্ট-বালুর মিশ্রণসহ অন্যান্য নির্মাণসামগ্রী যথাযথ মান ও নির্ধারিত অনুপাত অনুযায়ী ব্যবহার করা হয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করা প্রয়োজন। তবে কারিগরি পরীক্ষা ছাড়া এসব অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করা সম্ভব নয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এ বিষয়ে কালীগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আবুল কালাম আজাদ বলেন, বৃষ্টির মধ্যে ড্রেন নির্মাণের কাজ করায় প্রায় ১০ থেকে ১৫ ফুট অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সোমবার (১০ আগস্ট) তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং প্রকল্পের সভাপতিকে ক্ষতিগ্রস্ত অংশ সঠিকভাবে পুনর্নির্মাণের নির্দেশ দিয়েছেন। প্রকল্পের সভাপতি ও বাহাদুরসাদী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং ইউপি সদস্য শওকত আলী বলেন, অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে দুই-তিন হাত জায়গা ভেঙে পড়েছিল। পরে সেটি সংস্কার করা হয়েছে। তার দাবি, পিআইও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে কাজ ঠিক আছে বলে জানিয়েছেন।
প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বাশাইর বণিকপাড়ার ভেতর দিয়ে নির্মাণাধীন ড্রেনটি বাশাইর মূল সড়কের পাশের ড্রেনের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার কথা। গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর) কর্মসূচির আওতায় তিন দফায় প্রকল্পটির জন্য মোট ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ রয়েছে। এর মধ্যে প্রথম দফায় ৪ লাখ, দ্বিতীয় দফায় ৪ লাখ এবং পরবর্তী দফায় ২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সংসদ সদস্যের ঐচ্ছিক প্রকল্প হিসেবে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে প্রকল্পটির কাজ বাস্তবায়িত হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ. টি. এম. কামরুল ইসলাম বলেন, পিআইওকে সরেজমিনে প্রকল্পটি পরিদর্শন করে কাজের মান সঠিকভাবে যাচাই করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে যেন বিল পরিশোধ করা হয়, সে নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, শুধু ক্ষতিগ্রস্ত একটি অংশ পুনর্নির্মাণ করলেই প্রকল্পের সার্বিক মান নিশ্চিত হবে না। ড্রেনটির রডের ব্যবধান, নির্মাণসামগ্রীর মান, নকশা ও নির্ধারিত স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী কাজ হয়েছে কি না এসব বিষয় কারিগরি যাচাইয়ের মাধ্যমে নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
বণিকপাড়ার বাসিন্দাদের প্রত্যাশা, সরকারি অর্থে নির্মিত ড্রেনটি যেন টেকসই ও কার্যকর হয় এবং দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনে ভূমিকা রাখে।
কারণ, নির্মাণাধীন একটি সরকারি প্রকল্পের দেয়ালে ফাটল শুধু একটি স্থাপনার ক্ষতির বিষয় নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে জনগণের প্রত্যাশা, প্রকল্পের স্থায়িত্ব এবং সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহারের প্রশ্ন।





