গাজীপুরে দলবদ্ধ ধর্ষণের পর ভিডিও ধারণ, দুজন গ্রেপ্তার

গাজীপুরের টঙ্গীতে এক তরুণীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের পর ভিডিও ধারণ করে অর্থ দাবি করার অভিযোগে পুলিশ দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী তরুণী থানায় মামলা দায়ের করলে মঙ্গলবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। নির্যাতিতার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তাকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—টঙ্গী পূর্ব থানার মরকুন মাস্টারপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. মাসুম (৩৬) এবং নরসিংদীর রায়পুরা থানার সজিব মিয়া (২৫)। আরেক অভিযুক্ত, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর থানার আবু বক্কর (২৬), এখনও পলাতক রয়েছে।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, ভুক্তভোগী তরুণী একটি কারখানায় কাজ করতেন। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ভোরে তিনি এক সহকর্মীর সঙ্গে কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে বের হন। এ সময় অভিযুক্ত তিন যুবক তাদের পথরোধ করে এবং তরুণীর সহকর্মীকে হত্যার হুমকি দিয়ে পাশের একটি বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে তারা তরুণীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ করে এবং সেই দৃশ্য মোবাইলে ধারণ করে। পরে অভিযুক্তরা নির্যাতিতার কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা দাবি করে তাকে ছেড়ে দেয়।
ঘটনার একদিন পর, শুক্রবার রাতে, তরুণী থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং অভিযুক্তদের চিহ্নিত করে। পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) উৎপল কুমার জানান, গ্রেপ্তারকৃত মাসুম জিজ্ঞাসাবাদে অপরাধের কথা স্বীকার করেছে।
টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফরিদুল ইসলাম জানান, “এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।”