Uncategorized

তিনবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান সরবেশ আলী, গরিব-দুঃখী মানুষের আস্থার প্রতীক

নিউজ ডেস্ক:

গরিব-দুঃখী ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে স্থানীয়দের কাছে আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছেন সরবেশ আলী। তিনি কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার ৫নং যাদুরচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। ইতোমধ্যে তিনি তিনবার চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

স্থানীয়দের ভাষ্য, দরিদ্র ও অসহায় মানুষ সহযোগিতার জন্য তার কাছে গেলে তিনি সাধ্য অনুযায়ী তাদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন। কোনো মানুষ তার কাছে সহযোগিতার জন্য গেলে তাকে ‘পরে আসেন, আমি ব্যস্ত আছি’—এমন কথা না বলে সময় দিয়ে সমস্যার কথা শোনেন বলেও জানান স্থানীয়রা।

অনেকের দাবি, সহযোগিতা প্রত্যাশী মানুষ তার কাছ থেকে সাধারণত খালি হাতে ফিরে যান না।

সরবেশ আলীর জীবনযাপনও বেশ সাদামাটা। জনপ্রতিনিধি হওয়ার পরও তিনি সাধারণ মানুষের মতোই চলাফেরা করেন। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলার সময় কিংবা এলাকায় ঘোরাফেরার সময় তাকে প্রায়ই লুঙ্গি পরা অবস্থায় দেখা যায়।

স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব পালন করলেও তার বিরুদ্ধে অনিয়মের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
রাজনৈতিকভাবে বিএনপির সঙ্গে সম্পৃক্ত হলেও আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও তিনি চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

স্থানীয়দের মতে, রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে তার যোগাযোগ সবসময়ই ছিল সরাসরি।
এলাকার মানুষের আরও দাবি, ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন কাজে তার কাছে গেলে অর্থ দিতে হয় না।

সাধারণ মানুষের সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে তিনি কোনো ধরনের আর্থিক দাবি করেন না বলেও স্থানীয়রা জানান।
তিনবারের চেয়ারম্যান সরবেশ আলী সম্পর্কে স্থানীয়দের এসব বক্তব্যে উঠে আসে একজন জনপ্রতিনিধির সাদামাটাক জীবনযাপন, সাধারণ মানুষের সঙ্গে সহজ সম্পর্ক এবং অসহায় মানুষের পাশে থাকার চিত্র। তবে এসব ইতিবাচক দাবির পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি হিসেবে তার কর্মকাণ্ডের মূল্যায়নে সরকারি নথি ও যাচাইযোগ্য তথ্যও গুরুত্বপূর্ণ।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may also like

Uncategorized সম্পাদকিয়

সম্পাদকের কথা

There are many variations of passages of Lorem Ipsum available but the majority have suffered alteration in that some injected
Uncategorized

Hello world!

Welcome to WordPress. This is your first post. Edit or delete it, then start writing! Print 🖨