পঞ্চগড় প্রেসক্লাবে চা বাগানের বন্ধকীর জামানতের টাকা উদ্ধারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন
একেএম বজলুর রহমান, পঞ্চগড়
চা বাগানের জমির বন্ধকীর জামানতের টাকা উদ্ধারের জন্য সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী চা চাষী সাব্বির হোসেন। সাব্বিরের বাড়ি পঞ্চগড়ের সদর উপজেলার সাতমেড়ার জোতসাওদা এলাকায়।
পঞ্চগড় শহরের নতুনবস্থী রাজনগর এলাকার আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। আনোয়ার হোসেন একই এলাকার মৃত আবুল হোসেন সেকেন্দারের ছেলে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য দেন সাব্বির হোসেন।
অভিযোগ করে সাব্বির হোসেন বলেন, পঞ্চগড় সদর উপজেলার ইসলামপুর মৌজার ৫ দাগে ৩৩৩ শতক জমির উপর স্থাপন করা চায়ের বাগান বন্ধকী দেয়ার জন্য আনোয়ার হোসেনকে ২০২৩ সালের ১৩ মার্চ ১৫ লক্ষ টাকা প্রদান করি। এ নিয়ে আমাদের দু পক্ষের সাথে নন জুডিশিয়াল ষ্টামে লিখিত চুক্তি স্বাক্ষরও করা হয়। ৩ বছর মেয়াদের চুক্তি পত্রের মেয়াদ শেষ হয় চলতি বছরের ১২ মার্চ। চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে আমি আনোয়ার হোসেনকে চা বাগান বুঝে নিয়ে টাকা ফেরতের জন্য অনুরোধ করি। তাতে আনোয়ার হোসেনের সাড়া না দিয়ে টালবাহানা শুরু করে। এর আগে বিভিন্ন ভাবে আপোষ মিমাংসা করার চেষ্টা করা হলেও আনোয়ার হোসেনের পক্ষ থেকে কোন সাড়া পাওয়া যায়নি।
সাব্বির হোসেন আরও জানান, ২৮ মার্চ সকালে আনোয়ার হোসেনের বাড়ি গিয়ে টাকা ফেরত চাই। তখন সে টাকা দিতে অস্বীকার করে। টাকা চাওয়ায় সে আমাকে হুমকি ধামকি প্রদান করে। এনিয়ে আমি ২ এপ্রিল পঞ্চগড় চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি এবং স্মল টি গার্ডেন এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এর জেলা সভাপতির বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।
আনোয়ার হোসেন জানান, চা বাগানের চুক্তি শেষ হওয়ার পরেও সে বাগান বুঝে দিচ্ছেনা। সে বাগানের ৩২শ গাছ ধব্বংস করে ফেলছে। এসব গাছ রোপন থেকে শুরু করে উৎপাদন পর্যন্ত তৈরি করতে আর চা পাতা বাজারজাত করতে প্রায় ৩০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। আমি পঞ্চগড় সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। শুক্রবার বিকেলে থানায় এবিষয়ে বসার কথা রয়েছে।





