রৌমারীতে সাবেক মেম্বারের ছেলের নিজ বাড়িতে দেহ ব্যবসা এলাকায় চাঞ্চল্য

রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:
কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার চরশৌলমারী ইউনিয়নের সুখের বাতি গ্রামের সাবেক মেম্বার মাইনুউদ্দিনের ছেলে আব্দুল হামিদ (৪৫)। বর্তমানে তিনি রৌমারী ডিগ্রি কলেজ পাড়া এলাকায় বসবাস করছেন। অভিযোগ উঠেছে, দীর্ঘদিন ধরে কলেজ পাড়ার ওই নিজ বাড়িতে বিভিন্ন যুবতী নারীকে দিয়ে দেহব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন তিনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার (২২ মে) বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে চরশৌলমারী ইউনিয়নের ফুলকারচর গ্রামের শহিদুল ইসলামের স্ত্রী ফরিদা খাতুন আব্দুল হামিদের বাড়িতে আসেন। বিষয়টি টের পেয়ে এলাকাবাসী সেখানে জড়ো হলে ওই নারী কৌশলে পালিয়ে যান। এ সময় অভিযুক্ত আব্দুল হামিদও বাড়িতে তালা লাগিয়ে দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই ওই বাড়িতে এমন অসামাজিক কার্যকলাপ চলে আসছিল।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক খরিদ্দার সাংবাদিকদের জানান, তিনি এর আগেও দুই বার ওই বাড়িতে গিয়েছেন। বুধবার বিকেল ৫টার দিকেও আব্দুল হামিদ তাকে ফোন করে বলেন, “আমার বাড়িতে মেয়ে এসেছে, তুমি তাড়াতাড়ি আসো।”
অভিযোগের বিষয়ে ফরিদা খাতুন বলেন, “হামিদ আমাকে ফোন করে তার বাড়িতে ডেকে নিয়ে এসেছিল।” তবে ফরিদা খাতুনের স্বামী শহিদুল ইসলামের দাবি, তার স্ত্রী কয়েক দিন ধরে কুটির চর গ্রামে তার ভায়রা গোলামের বাড়িতে বেড়াতে গেছেন। এদিকে ফরিদা খাতুনের চাচি জানান, ফরিদা চরিত্রহীন মেয়ে; এর আগেও এলাকায় সে এমন অনেক ঘটনা ঘটিয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আব্দুল হামিদের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি নিজের দোষ স্বীকার করে সাংবাদিকদের বলেন, “এটা আমার ভুল হয়েছে। এমন ভুল আর হবে না।”
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।




