পলাশবাড়ীতে ব্রীজে ভাঙ্গন, ঝুঁকি নিয়ে চলাচল, চরম ভোগান্তিতে কয়েক গ্রামের মানুষ
বায়েজিদ, পলাশবাড়ী (গাইবান্ধা) :
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার বরিশাল ইউনিয়নের ভবানীপুর এলাকায় কানারজান ব্রীজ ভেঙ্গে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। গুরুত্বপূর্ণ এই ব্রীজটি ভবানীপুর থেকে রামপুরা ও কোমরপুর হাটে যাতায়াতের অন্যতম প্রধান পথ হওয়ায় ভাঙনের কারণে সাধারণ মানুষের চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। ঝুঁকি নিয়ে পথচারীরা চলাচল করলেও রিকশা, ভ্যান, অটোরিকশা ও অন্যান্য যানবাহন চলাচলে দেখা দিয়েছে ব্যাপক সমস্যা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ব্রীজের ওপরের অংশের একটি জায়গা ভেঙে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। গর্তটি আরও বড় হয়ে দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। দুর্ঘটনা এড়াতে স্থানীয়রা গর্তের চারপাশে লাল কাপড়ের নিশানা টানিয়ে সতর্ক করার চেষ্টা করেছেন।
ব্রীজটি দিয়ে প্রতিদিন শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী, রোগীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যাতায়াত করেন। ভাঙনের কারণে যানবাহন চলাচল বন্ধ, অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ায় অনেককে কয়েক কিলোমিটার অতিরিক্ত পথ ঘুরে গন্তব্যে যেতে হচ্ছে। এতে সময় ও যাতায়াত খরচ দুটোই বাড়ছে।
ব্যবসায়ী আলম মিয়া বলেন,সপ্তাহে দুই দিন কোমরপুর হাট বসে। কানারজান ব্রীজটি ভেঙে যাওয়ার পর হাটে কাঁচামাল নিয়ে যাতায়াত করতে খুবই সমস্যা হচ্ছে। দ্রুত ব্রীজটি মেরামত করা প্রয়োজন।
শিক্ষার্থী সাদিয়া বলেন, ব্রীজটি ভেঙে যাওয়ায় স্কুলে যেতে অনেক দূরের রাস্তা ঘুরতে হচ্ছে। এতে সময় বেশি লাগে এবং প্রতিদিনই ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।”
দ্রুত ভাঙন মেরামত করা না হলে ব্রীজটির ক্ষতিগ্রস্ত অংশ আরও বড় হয়ে যেতে পারে। বিশেষ করে রাতে চলাচলের সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া কোনো জরুরি রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার প্রয়োজন হলে সেটিও সম্ভব হচ্ছে না।
স্থানীয় সচেতন মহল ও সাধারণ জনগণের দাবি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কানারজান ব্রীজটি সরেজমিনে পরিদর্শন করে ভাঙনের কারণ ও বর্তমান পরিস্থিতি নিরূপণ করবেন এবং দ্রুত সংস্কারকাজের উদ্যোগ নেবেন। একই সঙ্গে সংস্কারকাজ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত দুর্ঘটনা এড়াতে ব্রীজের ভাঙা অংশে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তারা।
দীর্ঘস্থায়ী দুর্ভোগ ও সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়াতে দ্রুত কানারজান ব্রীজটি সংস্কার করে নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।





