কেন্দ্রীয় যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন এজমল হোসেন পাইলট
কলমাকান্দা (নেত্রকোণা) প্রতিনিধি,
জাতীয়তাবাদী যুবদলের নবগঠিত কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন নেত্রকোণার কলমাকান্দা উপজেলার কৃতী সন্তান মুহাম্মদ এজমল হোসেন পাইলট। তিনি উপজেলার সদর ইউনিয়নের চত্রংপুর গ্রামের বাসিন্দা।
বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে বুধবার আবদুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি ও মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়।
ছাত্রদল থেকে উঠে আসা এজমল হোসেন পাইলট ২০০৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মহসিন হল ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন। পরে ২০১০ সালে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের স্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক, ২০১২ সালে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং ২০১৪ সালে ১ নম্বর সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
দলীয় অঙ্গনে ‘পাইলট’ নামে পরিচিত এ নেতাকে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াও স্নেহভরে ‘পাইলট’ বলে ডাকতেন। নেতাকর্মীদের মাঝে প্রচলিত আছে— ‘ম্যাডামের পাইলট, ছাত্রদলের পাইলট’।
আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় এ নেতা একাধিকবার মামলা, গ্রেপ্তার ও কারাবরণ করেছেন। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিরোধী রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হন তিনি।
নতুন দায়িত্ব পেয়ে এজমল হোসেন পাইলট বলেন, “যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়ায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞ। সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নের আস্থার মর্যাদা রাখতে নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করব।”
তিনি আরও বলেন, “দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম ও ত্যাগের মূল্যায়ন হয়েছে। এটা গৌরবের, আবার বড় দায়িত্বও। যুবদলকে শক্তিশালী ও গতিশীল করতে সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের নিয়ে কাজ করব। গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, ভোটাধিকার নিশ্চিতকরণ এবং বিএনপির কর্মসূচি বাস্তবায়নে যুবদলকে কার্যকর সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলব।”
এজমল হোসেন পাইলটের পদোন্নতির খবরে দেশজুড়ে যুবদল ও ছাত্রদলের সাবেক-বর্তমান নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ দেখা গেছে। অনুসারীরা মনে করছেন, তার অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতা যুবদলকে আরও সুসংগঠিত করতে ভূমিকা রাখবে।




