ফরিদগঞ্জে ওয়ারিশান সম্পত্তি হতে বঞ্চিত করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে ওয়ারিশান সম্পত্তি হতে অন্যদের বঞ্চিত ও জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মৃত শরাফত আলীর ছেলে আনোয়ার বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। একই সঙ্গে বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত চাঁদপুরে উক্ত বিষয়ে বিচারাধীন মামলা রয়েছে।
জানা যায়, উপজেলার বালিথুবা ইউনিয়নের দিয়ারমন্ডল গ্রামে জমি দখল হুমকি-ধমকি ও মারধরের ঘটনা অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় আনোয়ার বাদী হয়ে ৬ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে মামলা দায়ের করেন। অভিযুক্তরা হলেন দিয়ারমন্ডল এলাকার মৃত জিন্নত আলীর ছেলে জাহাঙ্গীর আলম, মৃত আব্দুস ছাত্তারের ছেলে-মেয়ে মাহবুব, আবুল কালাম, ফয়জের নেছা ও আছমা এবং মৃত আব্দুল গনির ছেলে মোস্তফা।
ভুক্তভোগীর বক্তব্য ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উক্ত জমির ওয়ারিশসূত্রে মালিক ৮ জন হলেও ৩ জনের নামে খারিজ দেখিয়ে বাকি ৫ জনকে বঞ্চিত করার পাঁয়তারা করা হয়েছে। ভুক্তভোগীরা জানান, এটি সম্পূর্ণ প্রতারনার শামিল। খারিজের বিরুদ্ধে আপত্তি জানিয়ে ভূমি অফিস হতে উক্ত খারিজ বাতিলও করা হয়েছে। ওয়ারিশ সনদে ৩ জনকে ওয়ারিশ দেখিয়ে ৫ জনকে বাদ দিয়ে খারিজ করা হয়েছে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাবো আমাদের বৈধ সম্পত্তি রক্ষা করার জন্য। আমরা কোর্টে নিষেধাজ্ঞার আবেদন করেছি যাতে করে আমাদের কাছ থেকে জোর করে দখল না নিতে পারে। প্রতিপক্ষ জোরপূর্বক আমাদের উচ্ছেদ করতে চায়।
অভিযোগে উল্লেখ আছে, গত অক্টোবরের ২৫ তারিখ সকাল ১০ টায় প্রতিপক্ষের লোকজন সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে নালিশী সম্পত্তি হতে উচ্ছেদ করার চেষ্টা করে।
এ বিষয়ে প্রতিপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা বিষয়টি অস্বীকার করেন। তারাও পাল্টা অভিযোগের মাধ্যমে নিজেদের অধীনে সম্পত্তি ধরে রাখার চেষ্টা করছেন।
এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা গেছে, ওয়ারিশান সম্পত্তি নিয়ে তাদের মধ্যে হট্রগোল লেগেই আছে। আমরা যতটুকু জেনেছি প্রকৃত ওয়ারিশদের বঞ্চিত করার কারণে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। আমরা চাই উভয়ের মধ্যে একটি সুন্দর সমাধান হোক। জায়গা-জমি নিয়ে ঝগড়া-বিবাদ করা কারো জন্যই সুফল বয়ে আনবে না। সামাজিক শান্তি শৃঙ্খলার স্বার্থে উভয়ের মধ্যে পারস্পরিক সহমর্মিতা সহনশীলতা প্রয়োজন।
ওয়ারিশান সনদ জাল করা হয়েছে কিনা অভিযোগের বিষয়ে জানতে ২ নং বালিথুবা চেয়ারম্যানের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। বারবার ফোনকল করেও রিসিভ হয়নি।
এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার এসআই নুরুল আলম জানান, এ বিষয়ে কোর্টে মামলা বিচারাধীন আছে। ফরিদগঞ্জ থানার মাধ্যমে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




