মহান বিজয় দিবসে ইবি জিয়া পরিষদের শ্রদ্ধাঞ্জলি
ইবি প্রতিনিধি:
মহান বিজয় দিবসে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেছে জিয়া পরিষদ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্ত বাংলায় শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন সংগঠনটির সদস্যরা।
এসময় জিয়া পরিষদের ইবি শাখার সভাপতি অধ্যাপক ড. ফারুকুজ্জামান খানের সভাপতিত্বে সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, ইউট্যাব, সাদা দল, জিয়া পরিষদ কর্মকর্তা ইউনিট, জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা ও কর্মচারী ফোরাম, সহায়ক ট্যাকনিক্যাল কর্মচারী সমিতি, সাধারণ কর্মচারী সমিতি, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, ছাত্র ইউনিয়ন, বিভিন্ন হল, বিভাগ এবং সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনসমূহ পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মো. নসরুল্লাহ বলেন, আজকের দিনে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি। যাদের রক্তের বিনিময়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে জয়লাভ করেছিলাম এবং পৃথিবীর বুকে বাংলাদেশ নামে একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশ আত্মপ্রকাশ করেছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, সকল ছাত্র-ছাত্রী এবং সারাদেশে বাংলাদেশী চেতনায় উদ্বুদ্ধ জনগণকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।
একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের উদ্দেশ্য ছিল এই দেশকে স্বাধীন করা, শোষণমুক্ত ন্যায়ভিত্তিক একটি রাষ্ট্র তৈরি করা। একই লক্ষ্যকে অর্জন করতে ২৪ এর বীর সেনানীরা রক্ত দিয়েছে। চব্বিশ এর পূর্বের ইতিহাস ছিল একটি কালো অধ্যায় দিয়ে ঢাকা। ২৪ এর রক্তের মাধ্যমে আমরা যে লক্ষ্যে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল সে লক্ষ্যকে অর্জন করার শপথ গ্রহণ করেছি। ২৪ এর শহীদ যোদ্ধাদের এবং যারা পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন তাদের শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করছি। যারা অসুস্থ আছেন তাদের রোগ মুক্তি কামনা করছি। আমাদের লক্ষ্য পূরণ হবে ২৪ এর চেতনা বাস্তবায়নে মাধ্যমে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের মূল লক্ষ্য একটি গণতান্ত্রিক ন্যায় ভিত্তিক ও শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করা।
ছাত্র সমাজকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ভুলে যাও তোমাদের পুরনো ইতিহাস। যে উদ্দেশ্যে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছিলাম, একটি স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছিলাম সে উদ্দেশ্যকে সফল করার জন্য ২৪ এর চেতনাকে ধারণ করে আগামীর বাংলাদেশের গড়ার স্বপ্নে তোমরা এগিয়ে যাও। এই হোক আমাদের বিজয় দিবসের প্রত্যাশা।




