সাতক্ষীরায় পৃথক বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই জনের মৃত্যু
মোঃ খলিলুর রহমান, সাতক্ষীরা ::
সাতক্ষীরায় পৃথক বিদ্যুৎস্পৃষ্টের ঘটনায় হয়ে ইউনুস আলী নামের এক ঝাল মুড়ি বিক্রেতা ও আব্দুর রাজ্জাক নামের একজন মুরগী খামারির মৃত্যু হয়েছে। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টায় সাতক্ষীরা শহরের কামালনগর এলাকায় এবং সকাল ৯টার দিকে শ্যামনগর উপজেলার ছোটভেটখালী গ্রামে পৃথক এই ঘটনা ঘটে।
নিহত ঝালমুড়ি বিক্রেতা মো. ইউনুস আলী (৪৮) সাতক্ষীরা শহরের কামালনগর এলাকার রহমত আলীর ছেলে। তার গ্রামের বাড়ি ঢাকার বিক্রমপুর এলাকায়। আর মুরগী খামারি আব্দুর রাজ্জাক গাজী (৫৭)শ্যামনগরের মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের হরিনগর (চুনকুড়ি) গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য আরশাদ আলী গাজীর বড় ছেলে।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ইউনুস আলী সাতক্ষীরা সরকারি গার্লস স্কুলের সামনে ঝালমুড়ি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। প্রতিদিনের মতো ভোর ৬টার দিকে ঝালমুড়ি বিক্রির প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন ইউনুস হোসেন। এসময় ঘরের পাশে থাকা তার ঝালমুড়ি বিক্রির ভ্যানগাড়িটি স্পর্শ করার সাথে সাথেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন এবং ঘটনাস্থলেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ইউনুস আলীর ঘরের উপর দিয়ে বিদ্যুৎ লাইনের তার ছিঁড়ে ঘরের পাশে রাখা তার ভ্যানের উপর পড়ে। সকালে বাইরে যাওয়ার জন্য ভ্যান স্পর্শ করার সাথে সাথে বিদ্যুৎতায়িত হয়ে সে মারা যায়।
তার এই আকস্মিক ও হৃদয়বিদারক মৃত্যুতে পরিবারসহ পুরো এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মাহমুদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এদিকে রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের ছোটভেটখালী গ্রামের মুরগী খামারি আব্দুর রাজ্জাকও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, আব্দুর রাজ্জাক গাজী সকাল ৯টার দিকে নিজের মুরগীর খামারে কাজ করার সময় বিদ্যুতের লাইনে শক খায়। তার স্ত্রী বুঝতে পেরে দ্রুত মেইন সুইজ বন্ধ করে প্রতিবেশির সহায়তায় পার্শ্ববর্তী গ্রাম্য চিকিৎসকের নিকট নিয়ে যান। পরে আব্দুর রাজ্জাক গাজীকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ শাফিউল আলম পাটোয়ারী বলেন, সুরতহাল শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হবে।





