পুঠিয়ায় বিসিআইসি ও বিএডিসি সার ডিলারের বিরুদ্ধে সার পাচারের অভিযোগ
পুঠিয়ায় বিসিআইসি ও বিএডিসি সার ডিলারের বিরুদ্ধে সার পাচারের অভিযোগ
পুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ
রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর বাজারে বিসিআইসি ও বিএডিসি অনুমোদিত সার ডিলার মো. ওসমান আলীর বিরুদ্ধে দুপুরে গোপনে ভ্যানে করে সার পাচারের অভিযোগ উঠেছে। ভরা মৌসুমে সাধারণ কৃষকরা সার না পেয়ে যখন ফিরে যাচ্ছেন, তখন ডিলারের এমন কর্মকাণ্ডে এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, (৭ই) মার্চ শনিবার দুপুরে যখন কৃষকরা মাঠে কাজে ব্যস্ত এবং বাজারে লোকসমাগম কিছুটা কম, ঠিক সেই সময়ে ডিলার ওসমান আলীর গোডাউন থেকে ভ্যানভর্তি সারের বস্তা অন্যত্রে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছিল। স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, তাদের কাছে “সার নেই” বলে অজুহাত দেখালেও বেশি লাভের আশায় এই সার কালোবাজারে পাচার করা হচ্ছে।
বানেশ্বর এলাকার একজন ভুক্তভোগী কৃষক বলেন, “আমরা কয়েকদিন ধরে সারের জন্য ঘুরছি। ডিলার ওসমান আলী আমাদের সাফ জানিয়ে দিয়েছেন সরকারি সরবরাহ নেই। অথচ আজ দুপুরে সবার চোখের আড়ালে ভ্যানে করে সার পাচার করা হচ্ছে। আমরা গরিব মানুষ, সার না পেলে চাষাবাদ করবো কীভাবে?”
কৃষকের অভিযোগ সারের মজুদ থাকা সত্ত্বেও কৃষকদের সার না দেওয়া। দুপুরবেলা কৃষকদের অনুপস্থিতির সুযোগ নেওয়া। বিসিআইসি ও বিএডিসি’র নিয়ম অমান্য করে নির্ধারিত গোডাউনের বাইরে সার পাঠানো।
পুঠিয়া উপজেলার সাধারণ কৃষকদের দাবি, বানেশ্বর বাজারের এই সারের গুদামে দ্রুত অভিযান চালিয়ে মজুদের সঠিক হিসাব পরীক্ষা করা হোক। বিসিআইসি ও বিএডিসি অনুমোদিত একজন ডিলার কীভাবে প্রকাশ্য দিবালোকে সার পাচার করেন, তা নিয়ে তদন্তের জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।
অভিযুক্ত ডিলার মো. ওসমান আলীর সাথে এ বিষয়ে কথা বলার চেষ্টা করা হলে তাকে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পাওয়া যায়নি।
পুঠিয়া উপজেলার কৃষি অফিসার স্মৃতি রানী সরকার এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বিষয়টি অবগত হওয়ার পর দ্রুত ব্যবস্থা নিতে লোক পাঠানো হচ্ছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে ।




