রৌমারীতে মেধাবী শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ দাবি আখিরুলের

রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:
কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের উত্তর কাউনিয়ারচর গ্রামের মেধাবী শিক্ষার্থী আখিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে রৌমারী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তবে অভিযোগে নাম থাকা আখিরুল ইসলাম অভিযোগটিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) সাংবাদিকদের কাছে নিজের বক্তব্য তুলে ধরে আখিরুল ইসলাম বলেন, তিনি সম্প্রতি বিশ্বের বিভিন্ন স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একাধিক অফার লেটার পেয়েছেন। তার দাবি, শিক্ষা জীবনের এই অর্জনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে এবং তার সুনাম ক্ষুন্ন করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
আখিরুল ইসলামের ভাষ্য, অভিযোগকারী যেভাবে ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন, বাস্তবে তেমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে তাকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে তার এবং তার পরিবারের নাম জড়ানো হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তিনি বলেন, আমি কোনো ধরনের হামলা, হত্যাচেষ্টা বা হুমকির সঙ্গে জড়িত নই। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত হলে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে। তিনি আরও বলেন, আসিক আমার চেয়ে বয়সে ছোট। তাকে আমি ছোট ভাইয়ের মতো স্নেহ করি। তাকে গলা চেপে ধরার প্রশ্নই আসে না।
ঘটনার বিষয়ে নিজের বক্তব্য তুলে ধরে আখিরুল বলেন, একটি মেয়েকে কেন্দ্র করে বিষয়টি নিয়ে তিনি আসিক রানার কাছে জানতে চাইলে আসিক তার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। পরে বড় ভাই হিসেবে তাকে এমন আচরণ না করার জন্য সতর্ক করেন এবং একপর্যায়ে চড়-থাপ্পড় দেন। তবে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ সম্পূর্ণ অসত্য বলে দাবি করেন তিনি।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মাসুদ নামের এক ব্যক্তি বলেন, আসিক যে অভিযোগ করেছে, তা সত্য নয়। আখিরুল ভাই এমন কাজ করেননি। ঘটনার সময় আমি নিজেই উপস্থিত ছিলাম। গলা চেপে ধারার মতো ঘটনা ঘটেনি।
অন্যদিকে অভিযোগকারী আসিক রানা বলেন, একটি মেয়েকে কেন্দ্র করে কথা বলার জন্য ডেকে নিয়ে আখিরুল তার গলা চেপে ধরেন। পরে আশপাশের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করেন। এ ঘটনায় তিনি সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন। এ বিষয়ে রৌমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাওছার আলী বলেন, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্তের ভিত্তিতেই প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




