হাটহাজারীতে আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র শ্রমিক সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন
হাটহাজারী প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলায় অবস্থিত আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র শ্রমিক সমিতির কার্যকারী পরিষদ নির্বাচন উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
সকাল সাড়ে ৯টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে দুপুর ১টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলে। নির্বাচনকে ঘিরে কেন্দ্রজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। প্রার্থীদের সমর্থক ও শ্রমিকদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে পুরো কেন্দ্র প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। ভোটাররা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। নির্বাচনে সভাপতি পদে ৪ জন, সহ-সভাপতি পদে ২ জন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এছাড়া অন্যান্য পদে একক প্রার্থী থাকায় তারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।
নির্বাচন চলাকালে কেন্দ্র পরিদর্শন করেন হাটহাজারী উপজেলা শ্রমিকদলের সভাপতি নাসির মেম্বার, সাধারণ সম্পাদক মো. আজিম এবং পৌরসভা শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক মো. কামাল উদ্দিন। এসময় তারা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিবেশে নির্বাচন আয়োজন করায় সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান এবং নবনির্বাচিত কমিটির প্রতি শ্রমিকদের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান।
নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. এ কে এম মাহাবুবুল আলম। প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্বে ছিলেন বিশ্বনাথ সাহা, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন শাহজাহান মিয়া, এছাড়া পোলিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করেন নাঈম মিয়া ও সুমাইয়া আখতার।
ভোট গণনা শেষে ঘোষিত ফলাফলে সভাপতি পদে আব্দুল মান্নান, সহ-সভাপতি পদে মো. শফিকুল আলম এবং সাধারণ সম্পাদক পদে মহরম আলী নির্বাচিত হন। ফলাফল ঘোষণার পর বিজয়ী প্রার্থীদের সমর্থকদের মাঝে আনন্দ-উচ্ছ্বাস দেখা যায়।
নবনির্বাচিত সভাপতি আব্দুল মান্নান বলেন, শ্রমিকদের অধিকার রক্ষা, পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং সংগঠনের সার্বিক উন্নয়নে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করা হবে। সাধারণ সম্পাদক মহরম আলীও শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি আদায়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
স্থানীয় শ্রমিক নেতারা জানান, শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ায় শ্রমিকদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। তারা আশা করছেন, নতুন নেতৃত্ব শ্রমিকদের কল্যাণ, কর্মপরিবেশ উন্নয়ন এবং সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।





