সারাদেশ

অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার মামলায় সিটি গ্রুপের চেয়ারম্যান হাসানসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা অর্থ আত্মসাৎ, প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে দায়ের করা এক মামলায় সংবাদভিত্তিক বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল সময় টেলিভিশনের পরিচালক ও সিটি গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাসানসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। মঙ্গলবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক ইশরাত জাহান এ আদেশ দেন। মামলার অপর আসামিরা হলেন সময় টেলিভিশনের মার্কেটিং বিভাগের সাবেক প্রধান আহসানুল ইসলাম, সাবেক সিনিয়র ম্যানেজার আয়েশা সিদ্দিকা, বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক শম্পা রহমান এবং সাবেক চেয়ারম্যান মোরশেদুল ইসলাম। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিজ্ঞাপনের বিল বাবদ আদায়কৃত প্রায় ৫ কোটি ৩৪ লাখ ৫৮ হাজার ২৮৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, মার্কেটিং বিভাগের সাবেক প্রধান আহসানুল ইসলাম ও সাবেক সিনিয়র ম্যানেজার আয়েশা সিদ্দিকা পরস্পর যোগসাজশে এ অর্থ আত্মসাত করেন এবং এ কাজে প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সহযোগিতা ছিল বলে দাবি করা হয়েছে। এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বিজ্ঞাপনের বিলের হিসাব চাওয়া হলে আহসানুল ইসলাম বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করেন এবং পরে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে চাকরি ছাড়েন। একই সময়ে আয়েশা সিদ্দিকাও চাকরি ত্যাগ করেন। তবে কেউই প্রতিষ্ঠানের কাছে সংশ্লিষ্ট হিসাব বুঝিয়ে দেননি। পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানের হিসাব বিভাগ অনুসন্ধান করে দেখতে পায়, বিজ্ঞাপনদাতাদের কাছ থেকে আদায়যোগ্য ৫ কোটি ৩৪ লাখ ৫৮ হাজার ২৮৩ টাকা মার্কেটিং বিভাগের সিদ্ধান্তে মওকুফ দেখানো হয়েছে। এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে সংশ্লিষ্টরা দাবি করেন, মোহাম্মদ হাসান, শম্পা রহমান ও মোরশেদুল ইসলামের সিদ্ধান্তে বোর্ড সভার মাধ্যমে ওই বিল মওকুফ করা হয়েছিল। তবে অভিযোগ অনুযায়ী, এ দাবির পক্ষে কোনো বোর্ড সভার নথি উপস্থাপন করা হয়নি। মামলায় আরও বলা হয়েছে, অভিযুক্তরা নিজেদের দায়িত্ব ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে পরস্পরের যোগসাজশে প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি টাকা আত্মসাত করেছেন। এ ঘটনায় আদালত এর আগে ৭ জুলাই আসামিদের আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করেন। তবে নির্ধারিত দিনে কেউ আদালতে উপস্থিত হননি। তাদের পক্ষে সময় টেলিভিশনের সিইও জোবায়ের বাবু আদালতে উপস্থিত হয়ে জানান, কোম্পানির বোর্ড সভার মাধ্যমে তিনি পাওয়ার অব অ্যাটর্নি পেয়েছেন। মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি পক্ষের অভিযোগ, শুনানিকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার উদ্দেশ্যে আদালত প্রাঙ্গণে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করা হয়। তবে এ বিষয়ে আদালতের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া অভিযোগ রয়েছে, ৬ জুলাই জোবায়ের বাবু মামলার বাদী পরিবর্তনের চেষ্টা করেছিলেন। বাদীপক্ষের আইনজীবীরা বিষয়টি আদালতের নজরে আনলে সেই উদ্যোগ সফল হয়নি বলে দাবি করা হয়। উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনানি শেষে আদালত পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। মামলায় বাদীপক্ষের আইনজীবী হিসেবে ছিলেন অ্যাডভোকেট সালাউদ্দিন, ব্যারিস্টার সোহেল, অ্যাডভোকেট মাহমুদুল হাসান ও অ্যাডভোকেট নিহার।

স্টাফ রিপোর্টার।।

অর্থ আত্মসাৎ, প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে দায়ের করা এক মামলায় সংবাদভিত্তিক বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল সময় টেলিভিশনের পরিচালক ও সিটি গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাসানসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক ইশরাত জাহান এ আদেশ দেন।

মামলার অপর আসামিরা হলেন সময় টেলিভিশনের মার্কেটিং বিভাগের সাবেক প্রধান আহসানুল ইসলাম, সাবেক সিনিয়র ম্যানেজার আয়েশা সিদ্দিকা, বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক শম্পা রহমান এবং সাবেক চেয়ারম্যান মোরশেদুল ইসলাম।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিজ্ঞাপনের বিল বাবদ আদায়কৃত প্রায় ৫ কোটি ৩৪ লাখ ৫৮ হাজার ২৮৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, মার্কেটিং বিভাগের সাবেক প্রধান আহসানুল ইসলাম ও সাবেক সিনিয়র ম্যানেজার আয়েশা সিদ্দিকা পরস্পর যোগসাজশে এ অর্থ আত্মসাত করেন এবং এ কাজে প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সহযোগিতা ছিল বলে দাবি করা হয়েছে।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বিজ্ঞাপনের বিলের হিসাব চাওয়া হলে আহসানুল ইসলাম বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করেন এবং পরে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে চাকরি ছাড়েন। একই সময়ে আয়েশা সিদ্দিকাও চাকরি ত্যাগ করেন। তবে কেউই প্রতিষ্ঠানের কাছে সংশ্লিষ্ট হিসাব বুঝিয়ে দেননি।

পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানের হিসাব বিভাগ অনুসন্ধান করে দেখতে পায়, বিজ্ঞাপনদাতাদের কাছ থেকে আদায়যোগ্য ৫ কোটি ৩৪ লাখ ৫৮ হাজার ২৮৩ টাকা মার্কেটিং বিভাগের সিদ্ধান্তে মওকুফ দেখানো হয়েছে। এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে সংশ্লিষ্টরা দাবি করেন, মোহাম্মদ হাসান, শম্পা রহমান ও মোরশেদুল ইসলামের সিদ্ধান্তে বোর্ড সভার মাধ্যমে ওই বিল মওকুফ করা হয়েছিল। তবে অভিযোগ অনুযায়ী, এ দাবির পক্ষে কোনো বোর্ড সভার নথি উপস্থাপন করা হয়নি।

মামলায় আরও বলা হয়েছে, অভিযুক্তরা নিজেদের দায়িত্ব ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে পরস্পরের যোগসাজশে প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি টাকা আত্মসাত করেছেন।

এ ঘটনায় আদালত এর আগে ৭ জুলাই আসামিদের আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করেন। তবে নির্ধারিত দিনে কেউ আদালতে উপস্থিত হননি। তাদের পক্ষে সময় টেলিভিশনের সিইও জোবায়ের বাবু আদালতে উপস্থিত হয়ে জানান, কোম্পানির বোর্ড সভার মাধ্যমে তিনি পাওয়ার অব অ্যাটর্নি পেয়েছেন।

মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি পক্ষের অভিযোগ, শুনানিকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার উদ্দেশ্যে আদালত প্রাঙ্গণে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করা হয়। তবে এ বিষয়ে আদালতের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ ছাড়া অভিযোগ রয়েছে, ৬ জুলাই জোবায়ের বাবু মামলার বাদী পরিবর্তনের চেষ্টা করেছিলেন। বাদীপক্ষের আইনজীবীরা বিষয়টি আদালতের নজরে আনলে সেই উদ্যোগ সফল হয়নি বলে দাবি করা হয়।

উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনানি শেষে আদালত পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

মামলায় বাদীপক্ষের আইনজীবী হিসেবে ছিলেন অ্যাডভোকেট সালাউদ্দিন, ব্যারিস্টার সোহেল, অ্যাডভোকেট মাহমুদুল হাসান ও অ্যাডভোকেট নিহার।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may also like

সারাদেশ

মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক হলেন সাব্বির আহমেদ সামাদ

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রলীগের নতুন কমিটিতে প্রচার সম্পাদক পদে দায়িত্ব পেয়েছেন জেলার একনিষ্ঠ ও ত্যাগী ছাত্রনেতা সাব্বির আহমেদ সামাদ।
সারাদেশ

বদলে যাচ্ছে র‌্যাব: পরিবর্তন হচ্ছে নাম, লোগো ও পোশাক

নতুন রূপে আসছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। এ বাহিনীর নাম, লোগো ও পোশাক পরিবর্তনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। শুধু তা-ই নয়,