শাহরাস্তিতে জমি নিয়ে বিরোধ, প্রবাসীর বাঁশঝাড় উজাড়ের অভিযোগ
এইচ এ বাবলু।।
চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে ভূমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক ইতালি প্রবাসীর তফসিলভুক্ত জমির বাঁশঝাড় কেটে দখলের অভিযোগ উঠেছে মো. ইকবাল মিয়াজীর বিরুদ্ধে। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ দীর্ঘদিনের এবং বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। বর্তমানে শাহরাস্তি সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে দেওয়ানি মামলা চলমান রয়েছে।
ভুক্তভোগী প্রবাসী মো. আ. ওয়াদুদ ঘুঘুরচপ এলাকার মৃত আলী আশ্রাফের ছেলে। অপরদিকে অভিযুক্ত মো. ইকবাল মিয়াজী একই এলাকার মৃত সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ঘুঘুরচপ মৌজায় সিএস ৫ ও বিএস ৬৫ খতিয়ানের সাবেক ১০৮ ও হাল ১৬০ দাগের অন্দরে ৬৭ দশমিক ৫ শতাংশ জমি ক্রয়সূত্রে নিজের মালিকানায় রয়েছেন মো. আ. ওয়াদুদ। ওই জমির মালিকানা ও দখল নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। এ ঘটনায় ওয়াদুদ বাদী হয়ে শাহরাস্তি সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে দেওয়ানি মামলা দায়ের করেছেন, যার মামলা নং-৩৭/২০২৫।
ওয়াদুদের অভিযোগ, গত ৩০ জুন তিনি ইতালি চলে যাওয়ার পর ইকবাল তার তফসিলভুক্ত জমিতে থাকা বাঁশঝাড় উচ্ছেদ করে জায়গাটি দখলে নেওয়ার চেষ্টা করেছেন। ইতালি থেকে মুঠোফোনে ওয়াদুদ অভিযোগ করে বলেন, ইকবাল দাবি করছেন তিনি এ জমি নিয়ে আগে তিনটি মামলায় রায় পেয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত তিনি কোনো নথি দেখাতে পারেননি।
ওয়াদুদ আরও অভিযোগ করেন, তার কেয়ারটেকারকে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। ইকবালের ভয়ে স্থানীয় কেউ সাক্ষ্য দিতে এগিয়ে আসতে চায় না। তিনি দাবি করেন, এর আগেও ইকবাল তার বাড়িতে হামলা করেছেন এবং এ ঘটনায় তিনি মামলা করেছিলেন। তবে বাদী ও সাক্ষীর অনুপস্থিতির কারণে মামলাটি বর্তমানে স্থবির অবস্থায় রয়েছে। ইকবাল রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে এলাকায় প্রভাব বিস্তারেরও অভিযোগ করেন তিনি।
তবে ওয়াদুদের এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মো. ইকবাল মিয়াজী। তিনি বলেন, বাঁশঝাড় থেকে তার টিনের ওপর থাকা একটি বাঁশ কেটে অপসারণ করেছেন। ওই বাঁশটি টিনের বেড়া নষ্ট করছিল। এছাড়া বাঁশঝাড়ের অন্য বাঁশগুলো ওয়াদুদ নিজেই তার পাকা বাড়ির সেন্টারিংয়ের কাজে ব্যবহারের জন্য কেটেছেন বলে দাবি করেন তিনি।




