বাস্তা ইউনিয়নে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতার বিরুদ্ধে সন্ত্রাস ও মাদক ব্যবসার অভিযোগ, আতঙ্কে সাধারণ মানুষ
আমন উল্লাহ আমানের এলাকায় বিএনপির ভাবমূর্তি নিয়ে প্রশ্ন
প্রতিবেদন | স্থানীয় প্রতিনিধি
কেরানীগঞ্জের বস্তা ইউনিয়নে মাদক ব্যবসা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাকে ঘিরে এলাকাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগের তীর বস্তা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সঙ্গে যুক্ত মোহম্মদ রাজীবের দিকে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে তিনি ইয়াবা ব্যবসা, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও প্রভাব খাটিয়ে নানা অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত রয়েছেন। রাজনৈতিক পরিচয়ের ছত্রছায়ায় এসব কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছেন বলেও দাবি করেন এলাকাবাসী।
স্থানীয় সূত্র জানায়, অতীতে একাধিকবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে আটক করেছে এবং তার বাড়িতে র্যাব অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তারের ঘটনাও ঘটেছে। তবে এসব ঘটনার পরও এলাকায় তার প্রভাব ও দৌরাত্ম্য কমেনি বলে অভিযোগ রয়েছে।
সাম্প্রতিক এক ঘটনায় অভিযোগ ওঠে, মোহম্মদ রাজীবের নেতৃত্বে তার ভাই ও ছেলেসহ কয়েকজন সহযোগী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একটি পরিবারের ওপর হামলা চালায়। এ সময় তারা বাড়ির পাশের দুটি ফলনশীল গাছ কেটে ফেলে এবং বাড়ির বাউন্ডারি ভেঙে দেয়। ঘটনার পর থেকে ভুক্তভোগী পরিবারসহ আশপাশের বাসিন্দারা চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।
এ ধরনের অভিযোগে অভিযুক্ত নেতাকর্মীদের কর্মকাণ্ডে আমন উল্লাহ আমানের এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও বিরক্তি বাড়ছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, এসব কর্মকাণ্ড শুধু এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাচ্ছে না, বরং বিএনপির রাজনৈতিক ভাবমূর্তিকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
সচেতন মহলের দাবি, দলের সুনাম ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাদক ও সন্ত্রাসে জড়িত—এমন অভিযোগপ্রাপ্ত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে বিএনপির দ্রুত ও কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। অন্যথায় এ ধরনের কর্মকাণ্ড ভবিষ্যতে দল ও রাজনীতির জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।





