জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত
ওয়াসিম শেখ, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:
আসন্ন জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬ উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল ১১টায় সিরাজগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়।
সিরাজগঞ্জ সিভিল সার্জন অফিস আয়োজিত এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে সহযোগিতা করছে জাতীয় পুষ্টি সেবা, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. মো. নুরুল আমীন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. জহুরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সিরাজগঞ্জ সার্কেল) মো. নাজরান রউফ এবং পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. রায়হান ইসলাম।
ব্রিফিংয়ে সিভিল সার্জন ডা. মো. নুরুল আমীন বলেন, “শিশুর সুস্থভাবে বেঁচে থাকা, স্বাভাবিক বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দৃষ্টিশক্তি রক্ষায় ভিটামিন-এ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অনুপুষ্টি উপাদান। মানবদেহে ভিটামিন-এ তৈরি হয় না, তাই খাদ্য বা সম্পূরকের মাধ্যমে এটি গ্রহণ করতে হয়। শিশুদের অপুষ্টিজনিত অন্ধত্ব প্রতিরোধ, হামের জটিলতা ও শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি কমানোর লক্ষ্যে আগামী ২৮ জুন (রোববার) দেশব্যাপী জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হবে।”
তিনি জানান, ক্যাম্পেইনের আওতায় ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী সকল শিশুকে একটি নীল রঙের ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী সকল শিশুকে একটি লাল রঙের ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
এ বছর সিরাজগঞ্জ জেলায় ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৩ হাজার ৪১৭ জন এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুর লক্ষ্যমাত্রা ৪ লাখ ১৩ হাজার ৬৮৬ জন।
ক্যাম্পেইন সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য জেলায় ১৪টি স্থায়ী কেন্দ্রের পাশাপাশি ২ হাজার ১২৬টি অস্থায়ী কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত শিশুদের ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
এ কার্যক্রমে ৪ হাজার ২৫৪ জন স্বেচ্ছাসেবকের পাশাপাশি স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের ৭২০ জন মাঠকর্মী দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া ১ হাজার ৪১ জন প্রথম সারির তত্ত্বাবধায়ক কেন্দ্রগুলো সরাসরি পর্যবেক্ষণ করবেন। পুরো কার্যক্রমের ডিজিটাল মনিটরিংয়ের জন্য ব্যবহার করা হবে ODK Collect App।
প্রেস ব্রিফিংয়ে জেলার সকল গণমাধ্যমকর্মীদের মাধ্যমে অভিভাবকদের নির্ধারিত কেন্দ্রে শিশুদের নিয়ে এসে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর আহ্বান জানানো হয়।





