রাতের আঁধারে জবাই করা গরু ভ্যানে পরিবহন! ক্ষেতলালে চারজনকে জরিমানা
জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ
রাতের আঁধারে অসুস্থ গরু জবাই করে সেই মাংস বিক্রির উদ্দেশ্যে ভ্যানে করে এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রামে নেওয়া হচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে গরুটি উদ্ধার করে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত চারজনকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। একই সঙ্গে জবাই করা গরুটির অবশিষ্টাংশ মাটিচাপা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার বাশথুপী গ্রাম থেকে গরুটি ভ্যানে করে বড়তারা ইউনিয়নের বড়তারা গ্রামে নেওয়া হচ্ছিল। খবর পেয়ে ক্ষেতলাল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গরুটি উদ্ধার করে। পরে উপজেলা প্রশাসন ও প্রাণিসম্পদ বিভাগকে বিষয়টি জানানো হয়।
ক্ষেতলাল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুক্তারুল আলম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অসুস্থ গরু জবাই করার বিষয়টি জানতে পারে। পরে উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে এসে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন।
পরে ঘটনাস্থলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন ক্ষেতলাল উপজেলা ভূমি কার্যালয়ের কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আব্দুর রউফ। পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১১ এর আওতায় ইব্রাহিম, এন্তাজুল, আলাউদ্দিন ও রবিউল নামের চারজনকে মোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে গরুটির অবশিষ্টাংশ মাটিচাপা দেওয়ার নির্দেশ দেন আদালত।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আব্দুর রউফ বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে গরুটির অসুস্থতার বিষয়ে তথ্য পাওয়া যায়। বিষয়টি যাচাই করে আইন অনুযায়ী ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হয়েছে। গরুটির অবশিষ্টাংশ মাটিচাপা দেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. ফারুক মিয়া বলেন, অসুস্থ গরুর মাংস খাওয়ার উপযোগী নয়। এ ধরনের মাংস খেলে মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে এবং অসুস্থ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
অভিযানের সময় ক্ষেতলাল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাহিদ হাসান এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।





