সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগ
আব্দুল্লাহ আল মামুন, কালিগঞ্জ, সাতক্ষীরা :
সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের দক্ষিণ রঘুনাথপুর গ্রামে সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীকে জোরপূর্বক মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বেলা ১১ টায় ছাত্রীর মা মমতাজ খাতুন কালীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগে আরও দুজনের বিরুদ্ধে অপহরণে ইন্ধন ও সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়েছে।লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ছাত্রী বিথিকা বৃষ্টি (১৪) কৃষ্ণনগর এলাকার নবযুগ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। অভিযোগ অনুযায়ী, বিদ্যালয়ে যাতায়াতের পথে একই গ্রামের হায়েত আলীর ছেলে মো. হুসাইন (২০) তাকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে বিভিন্ন সময় উত্ত্যক্ত করতেন। এ বিষয়ে ছাত্রীটি একাধিকবার নিষেধ করলেও তিনি তা উপেক্ষা করতেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়, বিষয়টি মেয়ের কাছ থেকে জানার পর তার মা মমতাজ খাতুন অভিযুক্ত হুসাইনের অভিভাবক হায়েত আলী ও তার স্ত্রী কহিনুর বেগমকে অবহিত করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে হুসাইন ওই ছাত্রীকে যেকোনো সময় তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দিতেন বলে অভিযোগ করেছেন তার মা।অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১০ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে বিথিকা বৃষ্টি বাড়ি থেকে পাশের দোকানে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হয়। এ সময় দক্ষিণ রঘুনাথপুরে তাদের মুদিখানার দোকানের সামনে ইট বিছানো সড়কে পৌঁছালে হুসাইন তাকে জোরপূর্বক মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে কালীগঞ্জের কৃষ্ণনগর বাজারের দিকে চলে যান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।এ ঘটনায় হায়েত আলীর ছেলে মো. হাসান (২৫) এবং হায়েত আলীর স্ত্রী কহিনুর বেগমের বিরুদ্ধে অপহরণে ইন্ধন ও সহযোগিতার অভিযোগ এনেছেন ছাত্রীর মা। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও দুই থেকে তিনজনকে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার বিষয়ে দক্ষিণ রঘুনাথপুর গ্রামের গোলাম মোস্তফা গাজী ও মৌসুমি পারভীনসহ কয়েকজন অবগত আছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। মমতাজ খাতুনের দাবি, খবর পেয়ে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মেয়েকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন। তবে ব্যর্থ হয়ে পরে কালীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।এদিকে, অভিযুক্ত মো. হুসাইনের ব্যবহৃত মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।





