রৌমারী উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ইমান আলীর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার

জহুরুল ইসলাম রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:
রৌমারী উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানের ইমান আলী ইমনের বিরুদ্ধে জারি করা বহিষ্কারাদেশ অবশেষে প্রত্যাহার করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে আনুষ্ঠানিকভাবে এই বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের মাধ্যমে তিনি পুনরায় দলে ফিরে এলেন। এবারের সিদ্ধান্তকে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
দলীয় দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে দল ও স্থানীয় রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে ভূমিকা রাখা এই নেতার বিরুদ্ধে পূর্বের বহিষ্কারাদেশ পুনর্বিবেচনা করতে কেন্দ্রীয় পর্যায় থেকে উদ্যোগ নেওয়া হয়। তার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা, ত্যাগ ও অবদান বিবেচনা করে তাকে পুনরায় দলে ফিরিয়ে আনা হয়। সংশ্লিষ্ট নেতাদের মতে, তার মতো অভিজ্ঞ নেতা দলের জন্য প্রয়োজনীয় এবং স্থানীয় পর্যায়ে দলকে আরও শক্তিশালী করতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন।
বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের সংবাদ ছড়িয়ে পড়তেই রৌমারী উপজেলায় বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে স্বস্তি ও সন্তোষের পরিবেশ সৃষ্টি হয়। অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ও ব্যক্তিগত মাধ্যমে তাকে অভিনন্দন জানান। বিশেষ করে ইউনিয়ন পর্যায়ের কয়েকজন নেতা জানান, তার ফিরে আসা দলের মধ্যে বিভক্তি দূর করবে এবং নতুন করে ঐক্য গঠনে সহায়তা করবে।
স্থানীয় বিএনপির একাধিক নেতার মন্তব্য, “অভিনন্দন প্রাপ্য এই সিদ্ধান্তটি দলকে আরও সুসংগঠিত করবে। অভিজ্ঞ নেতৃত্ব ফেরায় মাঠের রাজনীতিতে নতুন গতি আসবে।”
তারা আরও জানান, চলমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে রৌমারী অঞ্চলকে শক্তিশালী করতে তার উপস্থিতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
দলীয় সূত্র আরও জানিয়েছে, বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের ফলে তিনি তার পূর্বের পদমর্যাদা, সাংগঠনিক দায়িত্ব ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পূর্ণভাবে যুক্ত হতে পারবেন। তিনি শিগগিরই উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে দলের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন বলেও জানা গেছে।
অন্যদিকে, এই সিদ্ধান্তে রৌমারী উপজেলা বিএনপিতে নতুন করে গতিশীলতা তৈরি হয়েছে। তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা মনে করছেন, দলকে সামনে এগিয়ে নিতে এবং রাজনৈতিক কর্মসূচি আরও সুসমন্বিতভাবে পরিচালনা করতে এই প্রত্যাবর্তন ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
দলীয় মহলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে, সামনের দিনে তিনি সংগঠন শক্তিশালী করা, আন্দোলন-সংগ্রাম এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে কেন্দ্রীয় নির্দেশনা বাস্তবায়নে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করবেন।





