সাতক্ষীরার ৬০৯ ভোট কেন্দ্রের ১৭৯টি ঝুঁকিপূর্ণ, নিরাপত্তা নিশ্চিতে বসানো হচ্ছে সিসি ক্যামেরা
মোঃ খলিলুর রহমান, সাতক্ষীরা ::
আসন্ন জাতীয় ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরার চারটি সংসদীয় আসনের ৬০৯ ভোট কেন্দ্র রয়েছে যার মধ্যে ১৭৯টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ। এসব ঝুঁকিপূর্ণ। কেন্দ্রগুলো নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন। এ ছাড়াও জেলার সব কয়টি ভোটকেন্দ্র সিসি ক্যামেরার আওতায় থাকবে বলে জানিয়েছেন সাতক্ষীরা জেলা নির্বাচন অফিস।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখা সূত্র জানায়, সাতক্ষীরার চারটি আসনের ৬০৯টি কেন্দ্রে এবার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।এসব কেন্দ্রে ভোটকক্ষ রয়েছে তিন হাজার ৪১০টি। এর মধ্যে স্থায়ী ভোটকেন্দ্র তিন হাজার ২৮১টি, আর অস্থায়ী ১২৯টি। সেগুলোর মধ্যে ১৭৯টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ এবং ৪৩০টি সাধারণ কেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে সাতক্ষীরা-২ আসনের অন্তর্ভুক্ত সদর ও দেবহাটা উপজেলায় সর্বোচ্চ ১৮০টি কেন্দ্রের মধ্যে ৬০টি ঝুঁকিপূর্ণ।
সাতক্ষীরা-৪ আসন শ্যামনগর উপজেলায় ৯৬টি কেন্দ্রের মধ্যে ২৯টি ঝুঁকিপূর্ণ।
জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, এসব আসনে মোট ভোটার রয়েছেন ১৮ লাখ ৩২ হাজার ৭৭৫ জন। এর মধ্যে ৯ লাখ ১৭ হাজার ৮৪৮ জন পুরুষ ও ৯ লাখ ১৪ হাজার ৯১৪ জন মহিলা এবং ১৩ জন তৃতীয় লিঙ্গ ভোটার রয়েছে।
সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের অন্তর্ভুক্ত দুটি উপজেলায় মোট ১৬৮টি কেন্দ্র রয়েছে।এর মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ৫০টি ও সাধারণ কেন্দ্র ১১৮টি। সাতক্ষীরা-২ (সদর-দেবহাটা) আসনে দুটি উপজেলায় মোট ১৮০টি ভোট কেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ৬০টি ও সাধারণ কেন্দ্র ১২০টি। সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি-কালিগঞ্জ) আসনে দুটি উপজেলায় মোট ১৬৫টি কেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ৪০টি ও সাধারণ কেন্দ্র ১২৫টি।সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর) আসনে একটি উপজেলায় মোট ৯৬টি কেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ২৯টি ও সাধারণ কেন্দ্র ৬৭টি।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মাসুদুর রহমান জানান, জেলার চারটি সংসদীয় আসনের ৬০৯টি ভোট কেন্দ্রের সব কয়টি কেন্দ্রই থাকবে সিসি ক্যামেরার আওতাভুক্ত। নির্বাচন কমিশনের উদ্যোগে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের তত্ত্বাবধায়নে সবগুলো কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বসানো হবে। ভোট কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বসানোর কাজ ইতিমধ্যে ৮০ শতাংশ শেষ হয়েছে। আগামী সপ্তাহের মধ্যে সব কয়টি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বসানোর কাজ শেষ হবে বলে জানান তিনি।
জেলা পুলিশ সুপার মো. আরেফিন জুয়েল জানান, গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র শুধু ঝুঁকি বিবেচনায় নয়, বরং দূরত্ব বিবেচনায়ও করা হয়েছে। এমনি ভোট কেন্দ্রের ভবনের অবস্থা ভালো না হলে ওইসব ক্ষেত্রে তাকে গুরুত্বপূর্ণ-এর মধ্যে ধরা হয়েছে। জেলার চারটি আসনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট গ্রহণের সুবিধার্থে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিতের সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।





