পঞ্চগড়ে নিখোঁজের ২দিন পরে কলেজ ছাত্রীর মরদেহ পুকুর থেকে উদ্ধার
একেএম বজলুর রহমান, পঞ্চগড়
পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার সাকোয়া নিলাডাঙ্গা এলাকায় দুইদিন ধরে নিখোঁজ থাকার কলেজ ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে বোদা থানা পুলিশ।
৫ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার সকালে তার বাড়ির পার্শ্ববর্তী একটি পুকুর থেকে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত তরুণীর নাম ধোরিত্রী রাণী (২০)। তিনি ওই এলাকার শ্রী ক্ষিতীশ মুহুরীর মেয়ে। ধোরিত্রী রানী সাকোয়া ডিগ্রি কলেজে পড়াশোনা করতো।
ধোরিত্রী রানীর পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শবে বরাতের রাত ৩ ফেফ্রুয়ারী মঙ্গলবার ধোরিত্রী রাণী বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। এরপর স্বজনরা আত্বীয়স্বজনসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করলেও তার কোনো সন্ধান পাননি।
স্থানীয় লোকজন ৬ ফেব্রুয়ারী সকালে পুকুরে একটি নারীর মরদেহ ভাসতে দেখে বোদা থানার পুলিশকে খবর দেন।
পরে বোদা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই কলেজ ছাত্রীর মরদেহ পুকুর থেকে উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা মরদেহটি ধোরিত্রী রাণীর বলে শনাক্ত করেন।
ধোরিত্রী রানীর মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার মরদেহ দেখার জন্য পুকুরে চারপাশে স্থানীয় লোকজন জড়ো হন।
স্থানীয় লোকজন জানান, ধোরিত্রী রানীর সাথে এক যুবকের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তাদের এ সম্পর্ক স্থানীয় লোকজন আগ থেকেই জানতো। ধোরিত্রী রানী নিখোজের পরে ওই যুবকের সাথে যোগাযোগ করা হলে সে জানান, সে আমার কাছে আসে নাই। ওকে খোঁজ করেন বাড়ির পাশেপাশেই আছে। ধোরিত্রী রানীর মৃত্যুর ঘটনা এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
বোদা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সেলিম মালিক বলেন, খবর পেয়ে বোদা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি পুকুর থেকে উদ্ধার করেছে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।





