২০ লাখ টাকা খরচ করে প্রেমিকা কে নার্সিং পড়ানো শেষে চাকরি পেয়েই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন!
মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার নবগ্রামে এক প্রেমিকার বাড়ির সামনে বিয়ের স্বীকৃতি ও স্ত্রীকে ফিরে পাওয়ার দাবিতে অনশনে বসেছেন বিশ্বজিৎ বাড়ৈ (২৮) নামে এক যুবক। গত মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া এই অনশনের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা বিষয়টিকে ‘লাইলি-মজনুর’ প্রেমের গল্পের সাথে তুলনা করছেন।
জানা যায়, উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের আলিসাকান্দি গ্রামে প্রেমিকা অনুশীলা বাড়ৈর বাড়ির সামনে অবস্থান নিয়েছেন বিশ্বজিৎ। তিনি একই উপজেলার বিপ্রদাশ পাত্রের ছেলে। বিশ্বজিতের দাবি, অনুশীলার সঙ্গে তার দীর্ঘ ১০ বছরের প্রেমের সম্পর্ক। চার বছর আগে তারা আইনগতভাবে (কোর্ট ম্যারিজ) বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।
বিশ্বজিৎ বাড়ৈ সাংবাদিকদের জানান, “অনুশীলার সঙ্গে আমার ১০ বছরের সম্পর্ক। তার নার্সিং পড়াশোনার জন্য আমি প্রায় ১৫-২০ লক্ষ টাকা খরচ করেছি। আমরা ঢাকায় দীর্ঘ সময় স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বাসা ভাড়া করে থেকেছি। সম্প্রতি নার্সিং শেষ করে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চাকরি পাওয়ার পর থেকে সে পরিবারের প্ররোচনায় আমার সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করেছে। গত ১২ দিন ধরে সে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ায় আমি নিরুপায় হয়ে এই পথ বেছে নিয়েছি। সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আমি এখান থেকে নড়ব না।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অনুশীলা বাড়ৈ বলেন, “তার সঙ্গে একসময় সম্পর্ক ছিল ঠিকই, কিন্তু সে জোর করে আমাকে কোর্ট ম্যারিজে সই করিয়েছিল। আমি এক সপ্তাহ আগে তাকে আইনগতভাবে ডিভোর্স দিয়ে দিয়েছি। এখন তার সঙ্গে সংসার করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়।





