শাহরাস্তিতে গৃহবধূ রিগান আক্তার মীম হত্যা: রহস্য উদঘাটনের দাবি, এক নারী গ্রেপ্তারশাহরাস্তিতে গৃহবধূ রিগান আক্তার মীম হত্যা: রহস্য উদঘাটনের দাবি, এক নারী গ্রেপ্তার
এইচ এ বাবলু:
চাঁদপুরের শাহরাস্তি পৌরসভার বাত্তলা (বেপারী বাড়ি) এলাকায় গৃহবধূ রিগান আক্তার মীম (২৪) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে কাজী সুমাইয়া হোসেন মিনা (২৩) নামে এক নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, গত ১৫ জুলাই দিবাগত রাত আনুমানিক ১টা ৩৫ মিনিট থেকে ৩টা ৩০ মিনিটের মধ্যে শাহরাস্তি পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাত্তলা (বেপারী বাড়ি) এলাকায় এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত রিগান আক্তার মীম ওই এলাকার সাইফুল ইসলাম রনির স্ত্রী এবং মো. কবির হোসেনের মেয়ে।
ঘটনার খবর পেয়ে চাঁদপুরের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে শাহরাস্তি থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ ও হত্যার রহস্য উদঘাটনে তদন্ত শুরু করে। মরদেহের সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট চাঁদপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. লুৎফর রহমানের নেতৃত্বে, সহকারী পুলিশ সুপার (কচুয়া সার্কেল), শাহরাস্তি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবং তদন্তকারী কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করা হয়।
তদন্তের একপর্যায়ে সন্দেহভাজন কাজী সুমাইয়া হোসেন মিনাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি পারিবারিক কলহের জেরে রিগান আক্তার মীমকে গলা চেপে শ্বাসরোধ করে হত্যার কথা প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেন বলে পুলিশ জানায়।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা মো. কবির হোসেনের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে শাহরাস্তি মডেল থানায় ১৫ জুলাই ২০২৬ তারিখে ৩০২ ধারায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও প্রদান করেছেন।
পুলিশ বলছে, হত্যাকাণ্ডের সার্বিক বিষয় নিয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।




