রাতের আঁধারে জমি দখলের চেষ্টা, প্রতিপক্ষের শাবলের আঘাতে শিক্ষক’সহ গুরুতর আহত ২
বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ
বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার পিলজংগ এলাকায় রাতের আঁধারে নিজ দখলীয় জমি অবৈধভাবে দখলে নেয়ার চেষ্টায় বাধা দেওয়ায় প্রতিপক্ষের শাবলের আঘাতে শিক্ষক’সহ দুই জন গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী হাফিজা খাতুন বাদী হয়ে ফকিরহাট মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে একই এলাকার মৃত শেখ ইন্তাজ আলী’র পুত্র শেখ আলমগীর হোসেন (৪৯) ও তার স্ত্রী শারমিন খাতুন (৪০) ভুক্তভোগীর বসত বাড়ীর দক্ষিণের সুপারী বাগানের ৪৬৪৪ দাগের ৫.৯৫ শতাংশ জমির ঘেরা বেড়া বেষ্টিত নিজ দখলীয় সম্পত্তি দখলে নেয়ার জন্য শাবল ও দা নিয়ে গত ৩০ আগস্ট ২০২৬ইং রবিবার আনুমানিক রাত সাড়ে ১১ টার সময় ঘেরা বেড়া কাটতে থাকলে ভুক্তভোগীর স্বামী স্কুল শিক্ষক সেখ ফিরোজ আহমেদ বাঁধা দিলে তার দিকে হামলার জন্য আলমগীর শাবল ও শারমিন দা তাক করেন। স্বামীর চিৎকারে ভুক্তভোগী হাফিজা খাতুন এগিয়ে আসলে শারমিন অশ্লীল ভাষায় গালি গালাজ করতে করতে তার (ভুক্তভোগী) হাত ধরে ফেলে ও আলমগীর তার হাতে থাকা শাবল দিয়ে ভুক্তভোগীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। এ সময় হাফিজা খাতুনের কান্না কাটির চিৎকারে প্রতিবেশী জাকির ও তার স্ত্রী ছুটে আসেন এবং ভুক্তভোগীর স্বামীও একখানা লাঠি নিয়ে প্রতিরোধ করতে এগিয়ে গেলে প্রতিপক্ষ শেখ আলমগীর হোসেন ও তার স্ত্রী শারমিন খাতুন তাদেরকে হত্যার হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
অভিযোগে আরো উল্লেখ করেন, শেখ আলমগীর হোসেনের শাবলের আঘাতে ভুক্তভোগী হাফিজা খাতুন মারাত্মকভাবে আহত হন এবং তিনি ওই রাতে মারাত্মক ব্যাথায় ঘুমাতে না পেরে পরদিন ফকিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসা নেন।
অভিযুক্ত শেখ আলমগীর হোসেন বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনীত সকল অভিযোগ মিথ্যা। আমরা তাদেরকে মারধোর করিনি বরঞ্চ তারা আমার স্ত্রীকে মেরে জখম করেছে।
এ বিষয়ে ফকিরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রজিউল্লাহ খান বলেন, আমরা একটা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বালিয়াডাঙ্গা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এ এস আই মিকাইল এর উপর তদন্তভার দেওয়া হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।





