ইউপি চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় নতুন মুখ ইলিয়াস
মোঃ সোহেল রানা :
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে ইতোমধ্যে ফরিদগঞ্জ জুড়ে আলাপ আলোচনা শুরু হয়ে গেছে। সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নাম লোকমুখে ছড়িয়ে পড়ছে। এলাকাবাসীর মুখে মুখে এখন তার প্রার্থিতার গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। এবার ৯ নং উত্তর গোবিন্দপুর ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় এসেছে মধ্য চাঁদপুর নয়ারহাট আকরাম উদ্দিন বেপারী বাড়ীর মৃত বদিউজ্জামান বেপারীর পুত্র মোঃ ইলিয়াস হোসাইন। সহজ-সরল, সৎ ও দায়িত্বশীল একজন তরুণ নেতা হিসেবে মানুষের পছন্দের তালিকায় উঠে এসেছে সমাজসেবক ও যোগ্য প্রার্থী ইলিয়াস। দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক ও ধর্মীয় কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন।
গণমাধ্যম ও স্থানীয়রা মনে করছেন, একজন শিক্ষিত ও সমাজসেবামূলক মানসিকতার তরুণ নেতার মাধ্যমে ইউনিয়নের উন্নয়নের ধারা আরও গতিশীল হবে ও স্বচ্ছতা ফিরে আসবে।
অন্যান্য সম্ভাব্য প্রার্থীর চেয়ে শিক্ষাগত যোগ্যাতায়ও এগিয়ে আছেন ইলিয়াস। জানা যায়, তিনি প্রত্যাশী আর এ উচ্চ বিদ্যালয় হতে ১৯৯২ সালে এসএসসি, ফরিদগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ হতে ১৯৯৪ সালে এইচএসসি ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় হতে ২০০০ সালে কৃতিত্বের সাথে এমএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন। তার বাবা মৃত বদিউজ্জামান বেপারী সচিবালয়ের গণপূর্ত মন্ত্রনালয়ের অধিনস্থে সম্মানের সহিত চাকুরী করেছেন। শিক্ষাবান্ধব ইলিয়াস নির্বাচিত হয়ে নিজের ইউনিয়নবাসীর শিক্ষার প্রসার ও মানোন্নয়নে ভূমিকা রাখবেন বলে ইশতিহার করেছেন।
এছাড়াও ইলিয়াস নির্বাচনী অঙ্গীকার হিসেবে ঘোষণা করেছেন:
* সমাজে শিক্ষা বিস্তারে অগ্রনী ভূমিকা রাখা এবং ইউনিয়নের প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে গরীব দুস্থ পরিবারের সন্তানদের বিনামূল্যে পাঠদান এর ব্যবস্থা করা।
*সপ্তাহে ছয় দিন ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে সরাসরি জনসেবা প্রদান।
*জরুরি প্রয়োজনে ২৪ ঘণ্টা মোবাইল ফোনে নাগরিকদের সঙ্গে যোগাযোগ ও সেবা দেয়া।
*ইউনিয়নকে পূর্ণাঙ্গ ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলা।
*মাদকমুক্ত গোবিন্দপুর ইউনিয়ন গঠন।
তিনি আরও জানিয়েছেন, “Gobindapur UP” নামে
একটি মোবাইল অ্যাপ চালু করা হবে, যার মাধ্যমে নাগরিকরা ঘরে বসেই ইউনিয়ন পরিষদের সেবা গ্রহণ ও অভিযোগ দাখিল করতে পারবেন। এছাড়া পুরো ইউনিয়নকে ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের আওতায় আনার পরিকল্পনাও রয়েছে তার।
নির্বাচিত হলে স্বাস্থ্যসেবায় ইলিয়াস প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন: প্রথমে ১০ শয্যাবিশিষ্ট স্বাস্থ্যকেন্দ্র চালু করা হবে এবং আগামী ৫ বছরে ধাপে ধাপে আরও স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপন করা হবে।
স্থানীয়রা মনে করছেন, অভিজ্ঞ ও পরিচ্ছন্ন এই শিক্ষাবান্ধব ব্যক্তি যদি চেয়ারম্যান পদে দাঁড়ান, তবে তিনি হতে পারেন শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী। ইতোমধ্যেই এলাকায় তার সমর্থকদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে।
তবে আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি এখনও প্রার্থিতার ঘোষণা দেননি। শিগগিরই এ বিষয়ে অবস্থান জানাবেন বলে প্রত্যাশা করছেন সমর্থকরা।
নতুন প্রজন্মের নেতৃত্বে ৯নং উত্তর গোবিন্দপুর ইউনিয়নে জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ ও উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত বলে মনে করছেন এলাকার জনসাধারণ।




