চিরিরবন্দরে সৌদির সঙ্গে মিল রেখে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত।
এনামুল মবিন(সবুজ)
স্টাফ রিপোর্টার.
দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আজ শুক্রবার (২০ মার্চ) ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন মুসল্লিদের একটি অংশ। প্রতিবছর সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে একই দিনে রোজা শুরু, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার নামাজ আদায় এবং কোরবানি করেন তারা।
সকাল ৯টায় উপজেলার সাইতাঁড়া ইউনিয়নের জগন্নাথপুর গ্রামের চিরিনদী ঈদগাহ মাঠে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করা হয়। এই জামাতে পুরুষ, মহিলা ও শিশুসহ প্রায় শতাধিক মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন। ঈদের জামাতে ইমামতি করেন মোহাম্মদ আব্দুল আলিম।
ঈদের নামাজ পড়তে আসা মুসল্লিরা বলেন, সারাবিশ্বে একই দিনে ঈদ হওয়া উচিত। লাইলাতুল কদর যেহেতু একটি, তাই সেটি একাধিক হতে পারে না। সে ক্ষেত্রে আমরা লাইলাতুল কদরের সঙ্গে মিল রেখে একই দিনে নামাজ আদায় করি। এছাড়া বিশ্বের অধিকাংশ মুসলিম একই দিনে ঈদ উদযাপন করেন, সে বিবেচনায় আমরা এটি পালন করে থাকি।
তারা আরও বলেন, ২০০৯ সাল থেকে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা, ঈদ ও কোরবানি পালন করে আসছেন। পৃথিবীর অনেক দেশে আজ ঈদ উদযাপিত হচ্ছে। বাংলাদেশেও কিছু স্থানে এক দিন আগে ঈদ হওয়ায় তারা আগেভাগেই ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পারছেন।
চিরিনদী ঈদগাহ মাঠের সভাপতি হাসান আলী বলেন, আমি ২০০৯ সাল থেকে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা, ঈদ ও কোরবানি পালন করে আসছি।
চিরিনদী ঈদগাহ মাঠের ইমাম মোহাম্মদ আব্দুল আলিম বলেন, আমরা বিগত কয়েক বছর ধরে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা রাখি, ঈদ ও কোরবানি উদযাপন করি। আমরা মনে করি, পৃথিবীর যে কোনো প্রান্তে ঈদের চাঁদ দেখা গেলে ঈদের নামাজ আদায় করা বা কোরবানি দেওয়া যেতে পারে। আমরা মুসলিম উম্মাহকে একই দিনে রোজা ও ঈদ পালনের জন্য বিশেষ আহ্বান জানাই।
২০০৯ সাল থেকে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদের নামাজ আদায় করে আসছে মুসলমানদের একটি অংশ। শুরুতে মুসল্লির সংখ্যা কম থাকলেও বর্তমানে ২০২৬ সালে তা বেড়ে প্রায় ১০০ জনে পৌঁছেছে।




