গাইবান্ধা ০৩ পলাশবাড়ী সাদুল্লাপুর আসনে পাল্টে গেছে হিসেব নিকেশ ধানের শীষের জয়জয়কার
বায়েজিদ পলাশবাড়ী (গাইবান্ধা) :
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গন ভোট ২০২৬ গাইবান্ধা -০৩ পলাশবাড়ী সাদুল্লাপুর আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক ডা সৈয়দ মঈনুল হাসান সাদিক ও জামায়াত মনোনীত প্রার্থী আবুল কাওছার মো নজরুল ইসলাম লেবু মাওলানা মধ্যে গত এক সপ্তাহ আগে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের অভাস পাওয়া গেলে ও এক সপ্তাহের ব্যাবধানে বিএনপির ব্যাপক জনসমর্থন বেড়েছে।
জনসমর্থ অনেকটা হ্রাস পেয়েছে ১১ দলীয় জোট প্রার্থী আবুল কাওছার মো নজরুল ইসলাম লেবু মাওলানার দিয়ে খুব সহজেই দাড়িপাল্লা প্রতীকের বিজয় অর্জন করা সম্ভব নয় বলে মনে করেন নিবার্চন বিশ্লেষকরা।তারা বর্তমানে এই প্রার্থীর জন্য জয় খুবই চ্যালেজিং
হবে বলে মনে করছেন।
এক সপ্তাহের ব্যবধানে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর অধ্যাপক ডা সৈয়দ মঈনুল হাসান সাদিক এর
আকাশ চুম্বি জনসমর্থন বাড়ার বিষয়ে অনুসন্ধান ও বিভিন্ন শ্রেনী পেশার ভোটারদের সাথে কথা বলে জানাগেছে জাতীয় পার্টির একটি বিশাল অংশ এই নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক কে নীবর সমর্থন জানিয়েছেন। যদি ও রাজনৈতিক কারনে জাপা প্রার্থীর কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।তবে ঘটনা শতভাগ সত্য বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
পাশাপাশি সাদুল্লাপুর উপজেলা একাধিক প্রার্থী হওয়ায় ঘড়োয়া বৈঠক করে তাদের সমর্থকদের সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন যে কোন মুল্যে তারা সাদুল্লাপুরে উপজেলার এমপি চায়। ফলে তাদের বৃহত্তর একটি অংশ ধানের শীষ প্রার্থীর পক্ষে নীরব সমর্থন জানিয়ে কাজ করছেন।
সময় যত ঘনিয়ে আসনে ধানের শীষের ভোট ততোটাই বৃদ্ধি পাচ্ছে। মুখ খুলতে শুরু করেছে সাধারণ ভোটারসহ আওয়ামিলীগের ব্ড় একটি অংশের সমর্থকরা।তারা এই নির্বাচনে গনতন্ত্র ও স্বাধীনতার প্রতিক হিসেবে কেবল মাত্র ধানের শীষের প্রার্থীকেই ভোট দিবেন বলে সাংবাদিকদের জানান।
তবে ক্যামেরার সামনে কথা বলতে তারা অনিচ্ছা প্রকাশ করেন।কারন হিসেবে নিরাপত্তার কথা তারা উল্লেখ করেন।
তারা বলেন তারা ধানের শীষের নীরব বিপ্লব ঘটনাবেন যদি প্রশাসনিক নিরাপত্তা ও ভোট কেন্দ্রে ভোটাররা নির্ভয়ে যেতে পারেন তবে তারা ধানের শীষের প্রার্থীকেই ভোট দিবেন।
এছাড়াও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ব বৃহৎ একটি অংশ তারা ও নীরব সমর্থন জানিয়ে ধানের শীষের প্রতি আস্থা রেখেছেন বলে নির্ভরযোগ্য একটি সুত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।
এই নির্বাচনী এলাকার প্রথম বারের মত কয়েক হাজার সরকারি কর্মকর্তারা পোর্টাল ব্যালেটে তাদের ভোটধিকার প্রয়োগ করছেন এমন কয়েকজনের সাথে কথা বলে যানাযায় তারা গনতন্ত্র ও জাতীয়তাবাদ কে প্রাধন্য দিয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন।এই আসনে ধানের শীষের প্রার্থী একজন সাবেক সরকারি কর্মকর্তা তিনি ক্নিন ইমেজের একজন মানুষ।তিনি সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের সুখ দুখের সাথী হয়ে কাজ করবেন এবং ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত হবে বলে তারা এই প্রতিবেদককে জানান।
সব মিলিয়ে বিএনপি নেতাকর্মী সমর্থকদের ভোট,আওয়ামিলীগের বৃহত্তর একটি অংশের ভোট , জাপা নেতাকর্মীদের বৃহত্তর একটি অংশের ভোট, সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের পোর্টাল ভোট ও সর্ব শেষ সাদুল্লাপুর উপজেলা বিভিন্ন প্রার্থীদের গোপন সমঝোতার বৃহত্তর স্বার্থের ভোট,সব কয়েকটি বিষয়ের ভোট একত্রিত করলে এই আসনে ধানের শীষ প্রার্থীর যে ভোটের সংখ্যা দাড়ায় তা বিজয়ের জন্য অনেক বেশি।ফলে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনে ধানের জয়জয়কার হবে বলে সর্ব শেষ তথ্যানুসন্ধানে ওঠে এসেছে।
আওয়ামীলীগ সমর্থকদের কিছু অংশ বলছে তারা ন্যায় ও ইনসাফ কায়েমের লক্ষে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়ে দেখবেন জামায়াত কতটুকু ন্যায় ও ইনসাফ কায়েম করতে পারে। তবে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে পরিবর্তন আসলে এই আসনে জামায়াতে বিজয় শতভাগ নিশ্চিত হতো বলে দাবি করেছেন বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ। কি কারনে প্রার্থীর পরিবর্তন তারা চায় এ ব্যাপারে কোন ভোটার মুখ খুলতে রাজি হয় নি।এটা না হওয়ায় জামায়াত প্রার্থীর জয়লাভ অনেকটা চ্যালেন্জের মুখোমুখি হয়ে দাড়িয়েছে বলে তারা জানান।
যদি ও এই আসনের প্রার্থী একজন মজলুম ব্যাক্তি তিনি প্রায় ৬/৭ টি জাতীয় ও স্থায়ীয় সরকার নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করেছিলেন। একবার উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও নির্বাচিত হয়েছিলেন।
শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের একাধিক সাবেক নেতা জানান এই আসনে দাড়িপাল্লায় পরাজয় হবে কারন হিসেবে তারা প্রার্থী মনোনয়নের বিষয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন।আর প্রার্থীর কারনের প্রতীকের পরাজয় হবে বলে তারা সাংবাদিকদের জানান
জেলা ছাত্র শিবিরের দায়িত্বশীল একজন নেতা বলেন গাইবান্ধা সদর ও সুন্দরগঞ্জ আসন দুটি জামায়াত প্রার্থী নিশ্চিত জয়লাভ করবে।তবে পলাশবাড়ী সাদুল্লাপুরে পরিসংখ্যান ভিন্ন অনেকটা হতাশাজনক। তবে ও আমরা আশাবাদী।
শেষ সময়ে ভোটের যে হিসেবে নিকেশ চুলচেরা বিশ্লেষণ তাতে করে দাড়িপাল্লা প্রতীকের প্রাপ্ত ভোট দিয়ে এই আসনে ১১ দলীয় জোটের বিজয় অনেকটা অনিশ্চিত বলে মনে করছেন নির্বাচন বিশ্লেষকরা।
পলাশবাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস সামাদ মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক আবু আলা মওদুদ,
পৌর বিএনপির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সাধারণ সম্পাদক মোশফেকুর রহমান রিপন, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মোতালেব সরকার বকুল, যুবদল সদস্য সচিব রাজু আহমেদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মমিনুল ইসলাম মমিন ও জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল ইসলাম লিয়াকত বলেন যত সময় ঘনিয়ে আসছে ধানের শীষের ভোট ততোই বৃদ্ধি পাচ্ছে।ভোটাররা ব্যাপক সাড়া দিচ্ছে। অনেক ভোটার কর্মী হয়ে কাজ শুরু করেছেন।নারী ভোটারদের মাঝে ব্যাপক সারা মিলছে।আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী একটি অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ ও গ্রহনযোগ্য নির্বাচন হলে এই আসনের ধানের শীষ প্রার্থী বিজয় শতভাগ নিশ্চিত বলে তারা মনে করেন।



