কক্সবাজার-১ (চকরিয়া–পেকুয়া) আসনে বড় ব্যবধানে সালাহউদ্দিন আহমেদের জয়,
আলফাজ মামুন নুরী
কক্সবাজার প্রতিনিধি
প্রায় এক লাখ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত জামায়াত প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল ফারুক
কক্সবাজার-১ (চকরিয়া–পেকুয়া) আসনের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেছে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কর্তৃপক্ষ। ঘোষিত ফলাফলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ দুই লাখ ১৯ হাজার ৭৫৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল ফারুক পেয়েছেন এক লাখ ২৫ হাজার ৩১১ ভোট। দুই প্রার্থীর মধ্যে ভোটের ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ৯৪ হাজার ৪৪৭, যা এ আসনে একটি বড় ব্যবধান হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।
প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াই, তবে ফলাফলে স্পষ্ট ব্যবধান
নির্বাচনের আগে কক্সবাজার-১ আসনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ছিল। চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনে দীর্ঘদিন ধরেই প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর শক্ত অবস্থান রয়েছে। মাঠপর্যায়ে দুই প্রার্থীর ব্যাপক গণসংযোগ, পথসভা ও নির্বাচনী প্রচারণা ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করে।
তবে ভোট গণনা শেষে দেখা যায়, শেষ পর্যন্ত বড় ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেন সালাহউদ্দিন আহমদ। কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফলেও তিনি অধিকাংশ এলাকায় এগিয়ে ছিলেন বলে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
ভোটগ্রহণ ও ফলাফল ঘোষণা
নির্ধারিত সময়ে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হওয়ার পর কেন্দ্রগুলোতে গণনা শুরু হয়। পরে উপজেলা ও আসন পর্যায়ে ফলাফল একত্রিত করে চূড়ান্ত ফল ঘোষণা করা হয়। ফলাফল ঘোষণার পর বিজয়ী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে আনন্দ-উল্লাস লক্ষ্য করা যায়।
রাজনৈতিক গুরুত্ব
কক্সবাজার-১ আসনটি রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি সংসদীয় এলাকা। চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলার বিস্তৃত জনসংখ্যা, অর্থনৈতিক ও উপকূলীয় ভৌগোলিক প্রেক্ষাপট এই আসনকে জাতীয় রাজনীতিতেও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে। এ আসনে বড় ব্যবধানে জয় ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
চূড়ান্ত ফলাফলের মাধ্যমে কক্সবাজার-১ আসনে নতুন প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হলো। এখন নির্বাচিত সংসদ সদস্যের কাছে এলাকার উন্নয়ন, অবকাঠামো, উপকূল সুরক্ষা ও কর্মসংস্থানসহ বিভিন্ন বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা প্রত্যাশা করছেন সাধারণ ভোটাররা।




