তালার নগরঘাটায় স্থানীয় নির্বাচনকে ঘিরে তরুণ নেতৃত্বে আলোচনায় ইঞ্জিঃ মনি
মোঃ খলিলুর রহমান,সাতক্ষীরা ::
সাতক্ষীরার তালা উপজেলার ২ নং নগরঘাটা ইউনিয়নে আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তরুণ নেতৃত্বের অংশ গ্রহনে ভোটারদের মধ্যে নির্বাচনী আমেজ চলে এসেছে । পোষ্টার আর লিফলেটে জানান দিচ্ছে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন বেশী দুরে নয়। ভোটারদের সাথে আলাপচারিতায় জানাগেছে এবার তরুণদের মধ্যে প্রার্থী বেছে নেবেন।এরই ধারাবাহিকতায় ইঞ্জিঃ মোঃ মনিরুল ইসলাম (মনি) উদীয়মান তরুণ চেয়ারম্যান প্রার্থীর রাজনৈতিক ও সংগঠনিক পরিচিতি ও তার কর্মকান্ড এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ছাত্ররাজনীতি ও বিভিন্ন সামাজিক-সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় এই তরুণ নেতা ঢাকা ও সাতক্ষীরা ভিত্তিক একাধিক সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার রাজনৈতিক ও সংগঠনিক অভিজ্ঞতা স্থানীয় পর্যায়ে তাকে একজন সম্ভাবনাময় প্রার্থী হিসেবে তুলে ধরেছে।
ইঞ্জিঃ মোঃ মনিরুল ইসলাম (মনি) তালা উপজেলা সমিতি-ঢাকা ও পাটকেলঘাটা থানা সমিতি-ঢাকার সাংগঠনিক সম্পাদক, সাতক্ষীরা জেলা সমিতি-ঢাকার কার্যনির্বাহী সদস্য এবং বৃহত্তর খুলনা সমিতি-ঢাকার আজীবন সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও তিনি ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হিসেবেও যুক্ত রয়েছেন।
সামাজিক উন্নয়নমূলক সংগঠন নবোদ্যম ফাউন্ডেশন, সাতক্ষীরা জেলা শাখার উপদেষ্টা হিসেবে তিনি কাজ করছেন। রাজনৈতিক অঙ্গনে তিনি জিয়া সাইবার ফোর্স, সাতক্ষীরা জেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক এবং তালা উপজেলা শাখার সদ্য সাবেক সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
ছাত্ররাজনীতিতে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, সাতক্ষীরা জেলা শাখার সদ্য সাবেক সহসভাপতি এবং ২ নং নগরঘাটা ইউনিয়ন শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক, প্রচার সম্পাদক, ও ওয়ার্ড কমিটির নির্বাচিত সাধারন সাধারন সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করেন।
স্থানীয় রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের মতে, তার দীর্ঘ সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বের গুণাবলী নগরঘাটা ইউনিয়নের উন্নয়ন ও জনসেবামূলক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।এগুলাকে সামনে রেখে তিনি এলাকায় জনসংযোগ, ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ, বিভিন্ন খেলাধূলার আয়োজন,লিফলেট বিতরন ও ইউনিয়ন এর প্রতিটি জায়গায় তাহার ফেষ্টুন শোভা পাচ্ছে। সকল অন্যায়ের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থানে থেকে অসহায়ের পাশে থাকা থেকে শুরু করে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন আর্থিক সহয়তা সহ জনকল্যানমূলক কাজের মাধ্যমে নিজ ইউনিয়ন এ তার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন। ইতিমধ্যেই তিনি প্রচার প্রচারনার মাধ্যমে জনসাধারণের আস্তার পাত্র হিসাবে নিজেকে অধিষ্ঠিত করেছেন । আসন্ন নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হলে তরুণ ভোটারদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হতে পারে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তরুণ এই প্রার্থী গণসংযোগে তিনি ভোটারদের হাতে তাঁর ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা সম্বলিত ১০ দফা প্রতিশ্রুতির লিফলেট তুলে দেন। তার প্রতিশ্রুতির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—ইউনিয়ন পরিষদে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা, দুর্নীতিমুক্ত সেবাপ্রদান, কৃষি ও শ্রমজীবী মানুষের অধিকার রক্ষা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়ন, রাস্তাঘাট সংস্কার এবং বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি। এ ছাড়া নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা জোরদারের বিষয়েও তিনি বিশেষ অঙ্গীকার করেছেন।
একান্ত আলাপকালে তিনি বলেন, নগরঘাটা আমার জন্মভূমি। আমি এই ইউনিয়নকে একটি আধুনিক ও সেবামুখী জনপদে রূপান্তর করতে চাই। আমি নির্বাচিত হলে এখানে কোনো মা-বাবাকে সন্তানের মাদকাসক্তি নিয়ে চিন্তিত হতে হবে না। বিচারপ্রার্থী কোনো অসহায় মানুষকে চোখের পানি ফেলতে হবে না।তিনি নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে তার এলাকায় মাদক ও দখলমুক্ত একটি শান্তিময় ইউনিয়ন গড়ার অঙ্গিকার করেন।





