Uncategorized

ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে নাজেহাল ফরিদগঞ্জবাসী

মোঃ সোহেল রানা:
ফরিদগঞ্জের গ্রামগুলোতে বিদ্যুতের লোডশেডিং ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। দিনে-রাতে ১৭ থেকে ২০ ঘন্টার মতো বিদ্যুৎ থাকছে না। গ্রাহকদের মধ্যে এক ধরনের চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। কোনো কোনো এলাকায় একটানা আধা ঘণ্টার বেশি বিদ্যুৎ থাকছে না। ভ্যাপসা গরমে দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে জনজীবন। ঘন ঘন বিদ্যুৎ-বিভ্রাটে শিশু, শিক্ষার্থী ও বয়োজ্যেষ্ঠরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছেন পোলট্রি ব্যবসায়ী, মৎস্যচাষি, অটোরিকশা ও রিকশাচাক ছাত্র- ছাত্রী ও বিভিন্ন ব্যবসায়ীরা।
উপজেলার পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহকরা জানান, প্রতিদিন বিদ্যুৎ সকালে চলে যায় এবং রাত ১০টার ভেতরে মাঝেমধ্যে আসে। এই কারণে ছাত্র-ছাত্রীরা পড়াশোনায় অনেক পিছিয়ে পড়ছে। কৃষিকাজেও ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হতে হচ্ছে। গভীর রাতে বিদ্যুৎ না থাকায় সিসিটিভি বন্ধ থাকে, এই সুযোগে চুরি ডাকাতির পরিমাণও বেড়ে যাচ্ছে। আগের মতো আবারও লোডশেডিং নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিদ্যুৎ গেলে আর আসে না। সেই আগের মতো লোডশেডিংয়ের সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করেছে। প্রায় মাসখানে ধরে বিদ্যুতের সমস্যা খুব বেশি হচ্ছে।
সকাল থেকে এক ঘণ্টা বিদুৎ থাকলে দুই ঘণ্টা থাকে না, এইভাবে চলতে থাকে। সন্ধ্যার পরে যায় আর আসে রাত নয়টার পর। আবার আধা ঘণ্টা পরে চলে যায় রাত এগারোটার পরে আসে। আবার বারোটার পরে যায় ফজরের পরে আসে। দিন রাত মিলিয়ে ছয় ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাওয়া যায় না।
ফরিদগঞ্জ উপজেলার বদরপুর গ্রামের পোল্ট্রি ব্যাবসায়ী আবুল হাশিম বলেন, বিদ্যুতের ভয়াবহ লোডশেডিংয়ে অতিষ্ট আমরা । দুঃসহ গরমের সঙ্গে দিনে-রাতে চলছে ভয়াবহ লোডশেডিং। বিদ্যুৎ না থাকার কারণে ব্যবসায় ক্ষতি হচ্ছে কোনোরকম টিকে আছি।
ফরিদগঞ্জ জোনাল অফিসের ম্যানেজার মোবারক হোসেন সরকার বলেন, ২৩-২৬ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে পাওয়া যাচ্ছে ৭-১০ মেগাওয়াট। তাই বাধ্য হয়েই বিদ্যুৎ-বিভ্রাট ঘটাতে হচ্ছে। অপ্রয়োজনে বিদ্যুতের ব্যবহার পরিহার এবং বিদ্যুতের বরাদ্দ বাড়লে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। আমার কার্যালয়ের আওতায় মাত্র একটি সাবস্টেশন রয়েছে। প্রয়োজন অন্তত আরও দু’টি সাবস্টেশন। একটি সাবস্টেশন থাকায় প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা লাইনে সমস্যা হলে দূর দুরান্তের গ্রাহকদের বিদ্যুৎ বন্ধ রাখতে হয়। কেউ যদি সড়কের পাশে জমি দিয়ে সহযোগিতা করে, তাহলে সাবস্টেশন স্থাপন করাটা সহজ হবে। এ ছাড়া এই কার্যালয়েও প্রয়োজনীয় জনবল ঘাটতি ১০-১২ জনের। সবাইকে ধৈর্য্য ধরার অনুরোধ করছি আশা করি সব ঠিক হয়ে যাবে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may also like

Uncategorized সম্পাদকিয়

সম্পাদকের কথা

There are many variations of passages of Lorem Ipsum available but the majority have suffered alteration in that some injected
Uncategorized

Hello world!

Welcome to WordPress. This is your first post. Edit or delete it, then start writing! Print 🖨