চিলমারীতে বাড়ির পাশ থেকে শিশু আয়শা সিদ্দিকার মরদেহ উদ্ধার
হাবিবুর রহমান, চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের চিলমারীতে বাড়ির পাশ থেকে নিখোঁজ হওয়া শিশু আয়শা সিদ্দিকা (২ বছর), ১২ঘন্টা পর ক্ষত-বিক্ষত মরদেহ বাড়ির পাশেই এলাকাবাসীরা খুজে পেয়েছেন। তবে এই মরদেহ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে চিলমারী উপজেলার থানাহাট ইউনিয়নের মাচাবান্ধা (সাহাপাড়া) এলাকার, রাজমিস্ত্রি আলমগীর হোসেনের একমাত্র কন্যা সন্তান বলে জানাগেছে। গ্রামবাসীরা বলেন, সকাল ৯টার পর থেকে তাকে খুজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে আমরা শুনতে পাই। তারপরে সকলে মিলে বিভিন্ন ভাবে আত্মীয়-স্বজন, বন্ধুদেরকেও খোজ খবর নেওয়ার জন্য অনুরোধ করি। এমনকি বিভিন্ন এলাকায় তারা এই হারিয়ে যাওয়া শিশুটির সন্ধান নিতেও ব্যর্থ হন। অবশেষে নিখোঁজ হওয়া শিশু আয়শা সিদ্দিকার মরদেহ তার বাড়ীর পার্শ্বের ফাকা স্থানে বাঁশের কঞ্চির উপর পড়ে থাকা অবস্থায় গ্রামবাসীরা দেখতে পায়। স্থানীয় এবং পুলিশ সুত্রে জানাযায়, শুক্রবার সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে মাচাবান্ধা সাহাপাড়া এলাকার রাজমিস্ত্রি আলমগীর হোসেনের ২বছর বয়সী মেয়ে আয়শা সিদ্দিকা নিখোঁজ হয়েছে। নিখোঁজের পর পরই এলাকায় ব্যাপক অনুসন্ধানের পাশাপাশি পরিবারের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে। তার পরেও শিশুটির সন্ধান না পেলে এলাকায় মাইকিং করে খোঁজ করা হয়েছে। দীর্ঘ সময় খোঁজ-খুঁজির পরও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরে রাত ১০টার দিকে বাড়ীর পাশের একটি ফাকা জায়গায় বাঁশের কঞ্চির উপরে পড়ে থাকা শিশু আয়শার নিথর দেহ দেখতে পায় স্থানীয়রা। খবর পেয়ে এলাকাজুড়ে শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। আয়শা সিদ্দিকার নিথর দেহ পড়ে থাকার খবর চিলমারী মডেল থানায় জানানো হলে পুলিশ এসে, শিশু আয়শা’র মরদেহ উদ্ধার করে থানায নিয়ে যায়। নিস্পাপ শিশুটির একটি চোখসহ শরীরে অসংখ্য ক্ষতচিহ্ন দেখা গেছে বলে এলাকাবাসী জানায়। এই নিষ্ঠুরতম হত্যার সংগে জড়িতদের জরুরী ভিত্তিতে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ ও দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবী জানিয়েছেন, নিহত শিশুর পরিবারসহ এলাকাবাসী। এ বিষয়ে চিলমারী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আলমগীর হোসেন বলেন, আয়শা সিদ্দিকা নামে ২বছর বয়সের একটি শিশু শুক্রবার সকাল ১০টায় নিখোজ হয়েছে। ঐ দিন রাত ১০টার দিকে বাড়ীর পার্শ্বের একটি ফাকা জায়গায় বাঁশের কঞ্চির উপরে শিশুটির মরদেহ পাওয়া গেছে। তার একটি চোখসহ শরীরে কিছু ক্ষতচিহ্ন পরিলক্ষিত হয়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য প্রেরন এবং মামলার প্রস্তুতি চলছিল বলে জানান তিনি।





