সারাদেশ

সদরপুরে ‘গুপ্তধন’ আতঙ্ক: মধ্যরাতে রহস্যময় গর্ত, এলাকায় তোলপাড়

সদরপুর থেকে শিমুল তালুকদার
​ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নে এক রহস্যময় ঘটনাকে কেন্দ্র করে চরম চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। গভীর রাতে কে বা কারা মাটি খুঁড়ে বড় এক গর্ত তৈরি করায় এলাকায় ‘গুপ্তধন’ পাওয়ার গুজব ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামের মহি মৃধার বাড়ির সামনের একটি ঘাসক্ষেতে।
​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই ঘাসক্ষেতে প্রথমে একটি ঘুঘুর বাসা দেখতে পান গ্রামবাসী। কিন্তু গত বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাতের আঁধারে কে বা কারা সেখানে বিশাল এক গর্ত খুঁড়ে রাখে। শুক্রবার সকালে গর্তটি নজরে আসতেই মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে—সেখান থেকে ‘গুপ্তধন’ বা মূল্যবান কোনো কিছু নিয়ে গেছে কোনো এক চক্র।
​যা বলছেন স্থানীয়রাঃ
​সকাল থেকেই ওই এলাকায় উৎসুক মানুষের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। স্থানীয়দের আলোচনার মূল বিষয়বস্তু এখন ওই রহস্যময় গর্ত। গ্রামের বয়োজ্যেষ্ঠদের অনেকেই মনে করছেন, মাটির নিচে হয়তো পুরোনো দিনের কোনো গুপ্তধন লুকানো ছিল, যা কোনো একটি বিশেষ চক্র সুযোগ বুঝে তুলে নিয়েছে। তবে গর্তটির গভীরতা এবং রাতের আঁধারে সবার অগোচরে এমন নিখুঁতভাবে মাটি খুঁড়ে ফেলার ধরণ দেখে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে।
​অস্পষ্ট রহস্যঃ
​যদিও সেখানে আসলেই কোনো গুপ্তধন ছিল কি না, কিংবা গর্ত খুঁড়ে কোনো কিছু উদ্ধার করা হয়েছে কি না—তার কোনো সত্যতা বা প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। বিষয়টি স্রেফ জল্পনা-কল্পনার ওপর ভিত্তি করে ডালপালা মেলছে। তবে রহস্যময় গর্তটি দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ রামচন্দ্রপুর গ্রামে ভিড় জমাচ্ছেন।
​এ ঘটনায় এলাকায় এক ধরনের চাঞ্চল্য ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। প্রশাসন বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া না গেলেও পুরো বিষয়টি এখন টক অফ দ্য টাউন।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may also like

সারাদেশ

মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক হলেন সাব্বির আহমেদ সামাদ

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রলীগের নতুন কমিটিতে প্রচার সম্পাদক পদে দায়িত্ব পেয়েছেন জেলার একনিষ্ঠ ও ত্যাগী ছাত্রনেতা সাব্বির আহমেদ সামাদ।
সারাদেশ

বদলে যাচ্ছে র‌্যাব: পরিবর্তন হচ্ছে নাম, লোগো ও পোশাক

নতুন রূপে আসছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। এ বাহিনীর নাম, লোগো ও পোশাক পরিবর্তনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। শুধু তা-ই নয়,