দাবি আদায়ে উপেক্ষা করলে বৃহত্তর আন্দোলন’— জয়পুরহাটে ফজলুর রহমান সাঈদ
জাহিদুল ইসলাম (জাহিদ) স্টাফ রিপোর্টার।
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং জুলাই সনদ দ্রুত কার্যকরের দাবিতে জয়পুরহাটে গণমিছিল ও সমাবেশ করেছে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য জোট। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও ধর্মভিত্তিক দলের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। সমাবেশ থেকে দাবি বাস্তবায়নে সরকারের প্রতি দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে গড়িমসি করা হলে সারাদেশে আরও কঠোর আন্দোলন কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন জোটের নেতারা।
শনিবার বিকেলে জয়পুরহাট শহরের শহীদ ডা. আবুল কাশেম ময়দানে মিছিল-পূর্ব সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা জামায়াতের আমির ও জয়পুরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান সাঈদ।
সমাবেশে বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি গোলাম কিবরিয়া মণ্ডল, সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মামুনুর রশীদ ও এস এম রাশেদুল আলম সবুজ, এবি পার্টির জেলা সেক্রেটারি বেলাল হোসেন, এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার গোলাম কবির, পাঁচবিবি উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের জেলা সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট আসলাম হোসেন, ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল বাতেন, মাওলানা সাইদুর রহমান, মাওলানা সুজাউল করিম, মাওলানা ইমরান হোসেন, শফিউল হাসান, মাওলানা আব্দুর রহিম, মাওলানা শাহ আলম দেওয়ান, মিজানুর রহমান, মাওলানা জয়নাল আবেদীন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জেলা সেক্রেটারি আনোয়ার হোসেন, এনসিপির সাংগঠনিক সম্পাদক ইসমাইল হাদী, বোরহান উদ্দিনসহ ১১ দলীয় জোটের নেতারা।
সভাপতির বক্তব্যে ফজলুর রহমান সাঈদ বলেন, ক্ষমতায় থাকা ব্যক্তিদের একটি অংশ চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে। এসব অনিয়ম বন্ধ করে জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতি সম্মান জানিয়ে সরকারকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, জনগণের দাবি বাস্তবায়নে বিলম্ব করা হলে সারাদেশে আরও বৃহত্তর ও কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। গণতান্ত্রিক উপায়ে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সমাবেশ শেষে অংশগ্রহণকারীরা একটি গণমিছিল বের করেন। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়।





