আগাম হিমসাগর হারবেস্টে প্রশ্ন,তালা কৃষি কর্মকর্তার প্রত্যায়নে প্রশাসনের নীরবতা!
মোঃ খলিলুর রহমান, সাতক্ষীরা ::
সাতক্ষীরায় সুস্বাদু হিমসাগর আম হারবেস্টের সময়সূচি জেলা প্রশাসন ও কৃষি অফিস মে মাসের ১৫ তারিখ থেকে নির্ধারণ করলেও তালা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাজেরা খাতুন এক চাষীর বাগান পরিদর্শন শেষে ১৩ তারিখ থেকেই হারবেস্টের অনুমতি দিয়েছেন।
এরই মধ্যে তালার মৌলভী বাজারসহ কয়েক আম ব্যবসায়ী ১২ তারিখ থেকে হিমসাগর আমে সয়লাব। বাজারে অপরিপক্ব আম পাকাতে ব্যবহৃত হচ্ছে হরমণ জাতীয় স্প্রে, যা মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।
জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজের সরকারি মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সংযোগ পাওয়া যায়নি। তবে তালা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাজেরা খাতুন প্রত্যায়ন দেওয়ার বিষয়টি অকপটে স্বীকার করেছেন।
জেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, বাগানে আগাম আম পাকতে শুরু করলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও কৃষি কর্মকর্তা যৌথভাবে অনুমতি দিতে পারেন।
কিন্তু মাঠ পর্যায়ে দেখা যাচ্ছে, এককভাবে অনুমতি দিয়ে আগাম হারবেস্ট শুরু হয়েছে – যা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জনস্বাস্থ্যের নিরাপত্তা নিয়ে। স্থানীয় সুধিজনদের মতে, এভাবে দায়িত্ব এড়িয়ে চলা মানে অবৈধ সিন্ডিকেটকে উৎসাহ দেওয়া।
সাতক্ষীরার সাত উপজেলার আম ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে কমিশনের বিনিময়ে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট মহলকে ‘ম্যানেজ’ করার অভিযোগও উঠেছে। ফলে ভোক্তারা পড়ছেন মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে। নষ্ট হচ্ছে সাতক্ষীরার আমের ঐতিহ্য।
তালা উপজেলার ইসলামকাটি ইউনিয়নের বাউখোলা গ্রামের আমচাষি কাবিল শেখ সময়ের আগেই নিয়মবহির্ভূতভাবে প্রত্যায়ন পেয়েছেন – যা প্রশাসনিক জবাবদিহিতার প্রশ্ন তুলছে।





