থামাও শব্দদূষণ, বাঁচাও জীবন
ডেস্ক রিপোর্ট : শব্দদূষণ এক ধরনের মারাত্মক পরিবেশ দূষণ। সঠিক অনুধাবনের অভাবে দিন দিন এ দূষণের মাত্রা বেড়েই চলেছে| আমরা সচেতনতা অবলম্বন করলে এটি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব| বাড়িতে, অফিসে, রাস্তাঘাটে আমরা শব্দদূষণের শিকার হচ্ছি| বিশ্বব্যাপী মানুষ পরিবেশ দূষণ রোধে সোচ্চার। বর্তমান সময়ে বায়ুদূষণ-পানি দূষণ রোধ এবং বনায়নের বিষয়গুলো আলোচিত হলেও শব্দদূষণ সম্পর্কে আলোচনার গণ্ডি একেবারেই সীমিত| শব্দদূষণের কারণেও মারাত্মক রকমের স্বাস্থ্য সমস্যা হচ্ছে| শব্দদূষণকে বলা হয় নীরব ঘাতক। বিশেষ করে ঢাকা শহরে শব্দদূষণের বহু উৎস রয়েছে যা জন স্বাস্থ্যের জন্য হুমকি। গাড়ির হর্ন, নির্মাণকাজ, মাইকের ব্যবহার, শিল্প-কারখানা কোনো ক্ষেত্রেই শব্দদূষণ বিষয়ে যেসব নিয়ম রয়েছে তা মানা হচ্ছে না|
নেত্রকোণা ২৯ এপ্রিল, ২০২৬‘ থামাও শব্দদূষণ বাঁচাও জীবন’এই প্রতিপাদ্যে জেলায় আজ আন্তর্জাতিক শব্দ সচেতনতা দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে| গ্রিন কোয়ালিশন নেত্রকোনা জেলা কমিটি ও বেসরকারী গবেষণা প্রতিষ্ঠান র্যালির আয়োজন করে।র্যালি শেষে গ্রিন কোয়ালিশন নেত্রকোনা জেলা কমিটি ও বেসরকারী গবেষণা প্রতিষ্ঠান আলোচনা অংশগ্রহন করে| জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর নেত্রকোণা জেলা কার্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে সকাল ১১ টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়| জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান এ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন| অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সুখময় সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে দিবসটির মূল ধারণাপত্র, শব্দদূষণের ¯স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি এবং ‘শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা-২০২৫’ ও করণীয় বিষয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল্লাহ আল মতিন আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা) হাফিজুল ইসলাম, ডা. অলি উল্লাহ এবং বিআরটিএ-এর পরিদর্শক মোহাম্মদ রুহুল আমিন,দৈনিক ইত্তেফাকের জেলা প্রতিনিধি শ্যামলেন্দু পাল, বেসরকারি সংস্থা বারসিক-এর আঞ্চলিক সমন্বয়কারী পরিবেশবিদ অহিদুর রহমান এবং পরিবেশকর্মী গ্রিন কোয়ালিশন কমিটির সহসভাপতি সোহরাব উদ্দিন আকন্দ|
সভায় জেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী, পরিবহন শ্রমিক এবং শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন এ সভায়|
আলোচনায় শব্দদূষণ রোধে যানবাহনের হাইড্রোলিক হর্ন ব্যবহার বন্ধ,যার যার অবস্থান থেকে সচেতন হওয়া ও বিভিন্ন উৎস থেকে উৎপন্ন হওয়া শব্দ নিয়ন্ত্রণে রাখা| জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর ঐক্যবদ্ধ কর্মপ্রচেষ্টার মধ্য দিয়ে প্রাপ্ত দিকনির্দেশনা শব্দদূষণকে নিয়ন্ত্রণের পর্যায়ে নিয়ে যেতে সহায়ক হবে|





