নাগরপুরে পাগলা কুকুরে কামড়িয়েছে কমপক্ষে ১৫ জনকে
নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলা সদরে আজ সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কমপক্ষে ১৫ জনকে পাগলা কুকুরে কামড়িয়েছে। শিশু থেকে শুরু করে নারী-পুরুষ বৃদ্ধ সব বয়সী মানুষ সহ বেশ কয়েকটি গবাদি পশুকে কামড়িয়ে মারাত্মকভাবে জখম করেছে।
উপজেলার বাবনাপাড়া মোড়, নঙ্গিনা বাড়ী, ঋষীবাড়ী, নাগরপুর বাজার, দুয়াজানি, থানা মোড়, উপজেলা চত্বর, এসিল্যান্ড অফিসের সামনে, সাব রেজিস্ট্রি অফিস এলাকা থেকে কমপক্ষে ১৫ জন পথচারীকে পাগলা কুকুরে কামড়িয়ে মারাত্মকভাবে জখম করেছে। এর মধ্যে একজন মানসিক ভারসাম্যহীন রয়েছে।
এছাড়াও বেশ কিছু গবাদি পশুকে কামড়িয়ে মারাত্মকভাবে যখন করেছে।
নাগরপুর সদর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর জরুরি বিভাগের খোঁজ নিলে জানা যায়, তাদের রেজিস্ট্রার মোতাবেক ৮ জনের নাম লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়াও দুজন মানিকগঞ্জ সদর, তিনজন টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়েছে বলে জানা যায়। এছাড়াও কিছু লোক দোকান থেকে ভ্যাকসিন দিয়ে বাড়ি চলে গিয়েছেন বলেও অনেকের মন্তব্য করেন।
একদিকে ঔষধের দোকানগুলোতে জলাতঙ্ক রোগের ভ্যাক্সিনের যেমন স্বল্পতা রয়েছে তেমনি সরকারি হাসপাতালগুলোতেও নেই পর্যাপ্ত মজুদ। এছাড়াও প্রাণিসম্পদ দপ্তরের বেওয়ারিশ কুকুর বেড়াল নিধন, জলাতঙ্কের ভ্যাক্সিন প্রদান কার্যক্রম চলমান না থাকায় দিন দিন পাগলা কুকুরের সংখ্যা বেড়ে চলেছে। একই সাথে বাড়ছে পাগলা কুকুরের জলাতঙ্ক রোগের সংখ্যা।
সরকারের সঠিক পরিকল্পনা ও পদক্ষেপ কমিয়ে আনতে পারে কমবে পাগলার কুকুরের সংখ্যা।
ফলে পাগলা কুকুর মানুষকে কামড়ানোর সংখ্যাটাও কমে যাবে বলে ধারণা সকলের।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার আব্দুল কাদের বলেন, আজ নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বেশকিছু লোক কুকুরে কামড়ের চিকিৎসা নিয়েছেন। জরুরি বিভাগ থেকে তাদের ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। তবে আমাদের কিছু স্বল্পতা রয়েছে। তবে আমরা ইউএনও মহোদয়ের বরাবর চাহিদা দিয়েছি। আশাকরি, এ সমস্যা দ্রুত সমাধান হবে।





