সান্তাহার সাইলো রাস্তার পুননির্মাণ কাজের উদ্বোধন
আবু বকর সিদ্দিক বক্করঃ আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি
বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার সাইলো সড়কের পুননির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন করে নাম ফলক উন্মোচন করা হয়েছে।
আজ (১১ মে) রোজ সোমবার বেলা সাড়ে এগারো ঘটিকার সময় উপজেলার সান্তাহার খাড়ির ব্রীজ এলাকায় সাইলো রাস্তার পুননির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন করে ফলক উন্মোচন করেন বগুড়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আব্দুল মহিত তালুকদার।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুমা বেগম, সাইলো অধিক্ষক আশফাকুর রহমান, রাস্তার পুননির্মাণ কাজের ঠিকাদার দেওয়ান মামুনুর রশীদ, পৌর যুবদলের আহবায়ক ওয়াহেদুল ইসলাম ওয়াহেদ, যুগ্ম আহবায়ক সৌরভ কুমার কর্মকার, এক নম্বর সদস্য আব্দুস সবুর সবুজ, সান্তাহার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দীনসহ আরো অনেকে।
জানা গেছে, ১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় গম সংরক্ষণ প্রতিষ্ঠান সান্তাহার সাইলো। পরে ২০১৭ সালে সাইলো ক্যাম্পাসে নির্মিত হয় চাল সংরক্ষণের জন্য শিতাতপ নিয়ন্ত্রিত মাল্টি স্টোরেজ গুদাম। এই প্রতিষ্ঠানের গম ও চাল পরিবহন করার জন্য রয়েছে নিজস্ব সড়ক। পরবর্তিতে ওই সড়কে প্রতিষ্টিত হয় রাসায়নিক সার অর্থাৎ বাফার স্টক গুদাম। এই দুই প্রতিষ্টানের ভারী ট্রাক চলাচলের কারণে ২০১২ সালে সড়কটি চলাচল অযোগ্য হয়ে পড়ে। এর মাঝে ২০১৭ সালে দাতা সংস্থা জাপানের জাইকা কোম্পানির অনুদানে নির্মিত মাল্টি স্টোরেজ গুদাম উদ্বোধন করার জন্য তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগমন উপলক্ষে সড়কটি সামান্য সংস্কার করা হয়।
এরপর থেকে সড়কটি ফের চলাচল অযোগ্য হয়ে পড়ে। এটা নিয়ে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় বহুবার নিউজ প্রকাশিত ও প্রচারিত হয়। এর প্রেক্ষিতে কর্তৃপক্ষ সড়কটি পুননির্মাণ প্রকল্প হাতে নেয়। প্রকল্প প্রাক্যলন ধরা হয় প্রায় পৌনে ১১ কোটি টাকা। দরপত্রে ৯ কোটি ৫৮ লাখ টাকার চুক্তিতে সাড়ে তিন কিলোমিটার দৈঘ্য ও ১৮ মিটার প্রস্থের কাজটি পেয়েছেন নওগাঁর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এম,এ ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড দেওয়ান মামুনুর রশিদ (জেভি)। ইতিমধ্যে সাইলো গেইট প্রান্ত থেকে সড়কের ভাঙাচুরা কার্পেটিং তুলে ফেলার কাজ শুরু করা হয়েছে। পুননির্মাণ সড়কটি হবে টেকসই প্রযুক্তির আরসিসি ঢালাই দিয়ে। এই সড়ক পুননির্মাণের বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ার পর ট্রাক পরিবহন মালিক, শ্রমিক ও সড়কের দুই পাশের বাসিন্দা ছাড়াও সড়ক সংলগ্ন কয়েক গ্রামের সাধারণ মানুষ, যাত্রীবাহী ছোট পরিবহনের মালিক ও চালকদের মাঝে স্বস্তির হাসি ফুটেছে।





